সদর উপজেলার হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। বাজারে মাঝারি থেকে শুরু করে ছোট বড় সাইজের সবগুলো গরু দেখা গেলেও বিক্রেতারা দাম বেশি হাঁকছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। এই বেশি দাম হাঁকার কারণে হাটে লোক আসছেন কিন্তু দাম তাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকায় তারা গরু কিনছেন না। সদর উপজেলায় এই বছর ১৪টি হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। সব হাটগুলোতে ভালো পরিসরে গরু এসেছে। এখনও আরো গরু আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে হাটগুলো ঘুরে দেখা যায় সব হাটগুলোতে ভালো পরিসরে গরু এসেছে। অনেক ক্রেতারা গরু কিনে ও ফেলেছে। অনেকে দেখছে তার পছন্দ মতো তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দাম দিয়ে কিনতে পারেন নাকি। হাটগুলোতে গরুর দাম অনেক উচ্চ। ছোট গরু প্রায় ১১০/১২০ ওয়টের গরুগুলোর দাম হাঁকছেন ১ লাখ ২০/৩০ হাজার টাকা, মাজারী সাইজের গরুগুলো প্রায় ৩২০/৩৩০ ওয়েটের গরুগুলোর দাম হাঁকছেন ২ লাখ ৫০/৬০ হাজার টাকা, আর বড় সাইজের গরু প্রায় ৫০০/৬০০ ওয়েটের গরুগুলোর দাম হাঁকছেন ৩ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা, গোগনগর এলাকার হাট গুলোতে সৈয়দপুর কয়লার ঘাট গরুর হাটে কয়েকটা গরু উঠেছে। প্রায় ৯০০ ওয়েটের একটি শাহিওয়াল গরু তার নাম রাখা হয়েছে (টাইগার) যার দাম হাকঁছেন ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা,আরেকটি গরু রয়েছে প্রায় ১০০০ ওয়েটের তার নাম রাখা হয়েছে নীরব যার দাম হাকঁছেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত হাটগুলোতে ঘুরে দেখা গেলো বেশির ভাগ গরুই সিরাজগঞ্জ থেকে আগত। আর হাটগুলোতে ছোট গরুগুলোর দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে। তাই যারা ছোট গরু কিনবেন তারা হাটে এসে বিপাকে পরতে হচ্ছে তাদের।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের এক গরুর ব্যাপারি জানান, আমরা একটু লাভ করার জন্য ঈদের ১ মাস ২ মাস আগে গরুগুলো কিনে আমরা লালন-পালন করে বড় করি। তার পর কিছু মুনাফার আশায় গরুগুলো হাটে নিয়ে আসি। কিন্তু আমরা আমাদের প্রাপ্ত দাম সমসময় পাই না। কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছার উপরে ছেড়ে আমরা কোন দু:খ প্রকাশ করি না। এই বছর গরুর দাম একটু বেমি কারণ বাজারে গরুর খাবার যেমন ভূসি,গম,খড়,কুড়া সব কিছুর দাম এখন তুলনামূলক বেশি। তাই আমরা এই বছর একটু গরুর দাম বেশি আশা করছি। আমি ১২টা গরু নিয়ে এসে ছিলাম আজকে একটা বিক্রি করেছি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আজকে হাটে ক্রেতার চেয়ে উৎসুক জনতার ভীড় বেশি দেখা যাচ্ছে। আর আমরা আশা করছি কাল থেকে গরু বেচা কিনা শুরু হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে এক ক্রেতা জানান, আমি সকাল থেকেই সব হাটগুলো ঘুরছি। ব্যাপারিরা গরুর দাম বেশি হাঁকছেন। তাই এখনো গরু কিনা হচ্ছে না ব্যাপারিরা বলছে চাঁদ রাতে তারা বিক্রি করবে গরু এই বলে থম দরে বসে আছে। আর ছোট ছোট গরুগুলোর যে দাম তারা হাঁকছেন তা তুলনামূলক অনেক বেশি। ছোট গরুর চাহিদা বড় গরুর থেকে বেশি। এটাকে পুজি বানিয়ে তারা বেশি দাম হাঁকেছেন। আর আমরা আশা করছি কাল বা পরশুর মধ্যে গরুর দাম ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে।এমই/জেসি


