Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে নাভীশ্বাস

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২২, ১০:৩৯ পিএম

তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে নাভীশ্বাস
Swapno


ভর বর্ষা মৌসুমেও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল বৃষ্টিহীন। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটিই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি আষাঢ় ও শ্রাবণে। বাংলাদেশে আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল। শনিবার বর্ষার দ্বিতীয় মাস শ্রাবণের ১ তারিখ। কিছুদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বইছে তাপপ্রবাহ। বর্ষার ভর যৌবন যখন, তখন ভ্যাপসা গরমে কষ্ট পাচ্ছে প্রায় সারাদেশের মানুষ।

 

শুক্রবার টাঙ্গাইল, সিলেট, চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে বইছিল মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সৈয়দপুরে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

গত ৩১ মে (জৈষ্ঠ্য মাসের ১৭ তারিখ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূলে এসে পৌঁছে। এরপর কিছুটা বৃষ্টি ঝরালেও মধ্য আষাঢ়ের পর মৌসুমি বায়ুর অনেকটাই নিষক্রিয় হয়ে যায়।

 

আবহাওয়াবীদ জানান, ‘আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা উচ্চ তাপমাত্রায় অবস্থান করছি। বাকি ৪ ঘণ্টা নিম্ন তাপমাত্রায় অবস্থান করছি। অর্থাৎ স্বস্তিদায়ক অবস্থা বা প্রশান্তিদায়ক আবহাওয়া আমরা পাচ্ছি না। ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা আবার ঘেমে উঠছি। এটি ব্যাপকভাবে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এর কারণ হচ্ছে বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। এটি তাপমাত্রাকে নিচে নামতে সহায়তা করছে না।’

 

১৬ জুলাই (শনিবার) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা। অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বেশি। আমাদের সামনে একটি দুর্বল বর্ষাকাল উপস্থিত। বিস্তৃত পরিসরে যে বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা, সেটা হচ্ছে না। স্যাটেলাইটে মেঘের ইমেজে আমরা দানার মতো আকৃতি দেখি, কিন্তু বিস্কুট আকৃতির হওয়ার কথা। এতে বুঝা যাচ্ছে, দেশের বেশিরভাগ এলাকা মেঘমুক্ত। তাই ওইসব এলাকা সূর্যকিরণ বেশি পাচ্ছে।’

 

দুর্বল বর্ষা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বর্ষার উৎপত্তি হয় সাগরে, সাগরে পর্যাপ্ত হিট এনার্জি থাকলে সেখান থেকে মেঘের সৃষ্টি হয়। এখন স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে ব্যাপক মেঘের উপস্থিতি নেই। ভারতের উত্তর-পূর্বাংশের মেঘালয়, আসাম, অরুণাচলে যেখানে ব্যাপক বৃষ্টি হওয়ার কথা সেখানে মৌসুমি বায়ু দুর্বল।’

 

তিনি আরও বলেন এ পরিস্থিতিতে সবাইকে একটু সাবধানে থাকতে হবে। ঘনঘন পানি পান করতে হবে। কম চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে, যতটা পারা যায় রোদে ঘোরাঘুরি না করাই উচিত।’এমই/জেসি


 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন