মীর জুমলা রোড বন্ধ করে চৌকি প্রতি কারা টাকা নেয় : শামীম ওসমান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২২, ০৯:২৭ পিএম
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান বলেছেন, লিংকরোডের পাশে বর্জ্য ফেলা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ মীর জুমলা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরির প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, আমি বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়কে আমি অনুরোধ করবো এডিএম সাহেবকে অনুরোধ করবো এই যে রাস্তার পাশে (লিংক রোডে নমপার্কের পাশে) যে অবস্থাটা হচ্ছে ময়লার স্তুপ মরা গরু সহ পরে থাকে মানুষ কিন্তু এগুলো দেখে মানুষ প্রশ্ন করে এই যে বেবি ট্যাক্সিওয়ালা টেম্পু ওয়ালা আবার দেখি কেউ দৌড়ে গিয়ে চাকা ব্লাস্ট করছে কেন পয়সা দেও।
এই যে রাস্তার পাশে হকার বসে বিনা পয়সায় বসে না কিন্তু কাউকে পয়সা দেয় কে পায় তা আমি জানি না। এই বেবি ট্যাক্সি ওয়ালারাও টাকা দেয় আবার মারও খেতে হয়। টাকা যায় কোথায় ? খায় কে ? এগুলো আমাদের দেখা দরকার। মীর জুমলা রোড আজকে বন্ধ। চৌকি প্রতি কত টাকা হয় ? কারা নেয়? কেন এডিএম থাকবে, কেন ডিসি থাকবে, কেন পুলিশ থাকবে,
আপনি বেতন পান; আমিও পাই আপনার কাজ হচ্ছে এক্সিভিশন করা। আমার কাজ হচ্ছে কথা বলা। রাজনীতি করতে আসছি সত্য কথা না বলতে পারলে রাজনীতি করব কেন? সমাজে যারা সমাজপ্রতি তারা যদি পক্ষ বিপক্ষ হয়ে যান তখন সমস্যা। সত্য বলতে হবে সত্য বলতে না পারলে চুপ থাকন। চাপাবাজী করার দরকার নাই।
সাংবাদিকরা বলেন না কেন লেখেন না কেন আপনার এলাকা আপনার দেশ আপনার কাছে ক্যামেরা আছে। বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার চাষাড়ায় টাউন হল প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ এসব কথা বলেন।
শামীম ওসমান আরো বলেন, ঢাকা-নারায়াণগঞ্জ লিংক রোডে কাজ করা হচ্ছে সেখানে ড্রেনও করা হচ্ছে পানি যাওয়ার জন্য। কিন্তু লিংক রোডের বিজিবি ক্যম্পের উল্টো দিক থেকে শুরু করে নম পার্ক পর্যন্ত যে পরিমাণ ময়লা ফেলা হচ্ছে এই ময়লাগুলো এখনই ড্রেনে ডুকে যাচ্ছে এমন হলে একটা সময় ড্রেন দিয়ে পানি যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ভুগবে কে এই নারায়াণগঞ্জের মানুষ এই ময়লাটাকে ফেলার দায়িত্ব কার এই প্রশ্নটা করে না।
কেউ কেন কেউ দেখে না এখানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বন ও পরিবেশ আছেন। আমার মনে হয় ব্যবস্থ্ ানেয়া উচিত আপনাদের বিষয়টা দেখা উচিত আপনাদের গালি কিন্তু আমরা খাই। আমি বন বিভাগকে অনুরোধ করব আপনারা শুধু বলেন যে জায়গাগুলো তে ময়লা ফেলা হয় সেখানে আমার স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে এমন ভাবে গাছ লাগিয়ে দিব যেন ময়লা ফেলতে না পারে। গাছ হোক সৌন্দর্য হোক ময়লা ফেলা বন্ধ হোক। এখন অনেকে দেখে ভাল লাগে ছাদে ছাদে গাছ লাগায় সুন্দর লাগে দেখতে গাছ কিন্তু ফল দেয় টাকা দেয় উপার্জন দেয় আপনাকে সুস্বাস্থ্য দিবে অক্সিজেন দিবে।
শামীম ওসমান বলেন, সারা বিশ্বে মনে হয় আমরা কঠিন একটা সময় পারতে করতে যাচ্ছি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আজকে যে পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে এই পরিস্থিতির কারণে টোটাল ইউরোপে যে গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে সবকিছু মিলিয়ে যে দ্রব্যমূল্যের ঊদ্ধগতি। উন্নত রাষ্ট্রগুলোর অবস্থাই যাই যাই অবস্থা সেখানে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা কোন রকমে চেষ্টা করছে সবকিছু মোকাবিলা করার এর মধ্যেই অনেকইে অনেক খুশি বাংলাদেশ শ্রীলংকা হয়ে যাবে।
এরা আবার রাজনীতি করে রাজনীতিবীদ বাংলাদেশ যদি শ্রীলংকা হয় মানুষ হিসেবে খুশি হওয়ার কথা না কষ্ট পাওয়ার কথা যারা এই রাজনীতি করে কিভাবে করে এরাই বোধ হয় রাজনীতি করে আন্দোলনের নামে মানুষ পোড়ায় আমি অন্য দলের বিরুদ্ধে বলছি না দেশটা আমাদের দেশ ভাল থাকলে আমরা ভাল থাকব। আমরা চাল উৎপাদন করি আমাদের মনে হয় খাদ্যের সংকট হবে না এখন গম এই গম কিন্তু পৃথিবীতে কোথায় পাওয়া যাচ্ছে না ভুট্টা পাওয়া যাচ্ছে না বড় বড় দেশগুলো আগে থেকেই রিজার্ভ করে নিয়েছে।
গম যদি আমরা না পাই গমের মূল্য যদি বেড়ে যায় ভুট্টা মূল্য যদি বেড়ে যায় এই গম ভুট্টা এগুলি দিয়েই কিন্তু আমাদের গো খাদ্য হয় আমাদের মাছের খাদ্য ডেইরি পল্ট্রি এগুলো দিয়েই হয়। এসব কারণে গরু দুধ ডিম দাম বাড়বে আমাদের এখন করাটা কি উচিত আমাদের যতটুকুই সম্পদ আছে সে সম্পদকে সৎ ব্যবহার করা। আমাদের এখন জমি ফেলে রাখার সময় না কোনো একটা জিনিস অপচয় করার সময় না। আমাদের একটা লাইট বিনা কারণে জ্বালিয়ে রাখার দরকার নাই আমাদের এই অনুষ্ঠানে তিনটা ফ্যানের দরকার ছিল না।
তিনি বলেন, ১৯৯৮ সালে আমি জার্মান গিয়েছিলাম জার্মানের চেম্বার কমার্সের প্রেসিডেন্ট এর সাথে কথা হয়েছিল তাকে আমি প্রশ্ন করলাম এত বড় একটা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ হল তোমরা নিজেকে আবার উঠিয়ে নিয়ে আনলে কিভাবে ‘আমরা যখন যুদ্ধের পর ক্ষত বিক্ষত তখন আমরা জার্মানিরা ঠিক করেছিলাম দুটি রুটির যায়গায় একটি রুটি খাব আরেকটা রুটি সেভট করে রেখেছি আদের নেক্্রট জেনারেশনের জন্য’। জার্মানে কিন্তু কিছু ছিল না যুদ্ধের পরে সেই জার্মান এখন ইউরোপের একটি শক্তিশালী দেশ
আমাদের মনে হয় আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে এটা বৈষিক সমস্যা বাংলাদেশের সমস্যা না। বাংলাদেশ কিন্তু দাড়িয়ে গিয়েছিল আমরা এখনো ভাল অবস্থায় আছি অন্যান্য দেশ থেকে আজকে যুগান্তরের ফাস্ট পেজে একটা নিউজ দেখবেন এই নিউজটা দেখলে বুঝবেন অন্যান্য দেশের অবস্থা কত করুন ইউএস থেকে শুরু করে ইউরোপ পর্যন্ত কত করুন অবস্থা সেক্ষেত্রে আমাদের অবস্থা কত ভাল আছে।
এটাকে স্বস্তির নিশ্বাস নেয়ার কারণ নেই আমাদের এটাকে ওবার কাম করতে হবে এবং এই ওবার কামটা করার জন্য আমাদের যা করনীয় যারা করবেন আমাদের ইয়াং জেনারেশন যে ইয়াং জেনারেশন একবার বঙ্গবন্ধুর ডাকে এই দেশ স্বাধীন করেছিল যে ইয়াং জেনারেশন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল রাষ্ট্রভাষার জন্য আন্দোলন করেছিল ওভারকাম ওদেরই করতে হবে আমরা এখন দিক নির্দেশনা দিতে পারি। তারা এখন যুদ্ধা এ যুদ্ধা মানে নিজের দেশকে গড়ে তুলে কার স্বার্থে নিজের স্বার্থে। আমি অনেক কেই বলি ছাত্রলীগ যুবলীগ আওযামীলীগ সাবজেক্ট মেটার না কিছু জিনিস করলেই নয় প্রথম কাজ হল নিজের বাবা
মার প্রতি দায়িত্ব পালন করা দ্বিতীয় কাজ হল যে এলাকায় থাকেন সে এলাকের সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করা তৃতীয় কাজ হল আপনার যখন বয়স হবে মৃতে্যুর আগে যেন বলতে পারেন আমি আমার দেশের জন্য একটা ভাল কাজ করতে পেড়েছি। সাড়ে চার কোটি ইয়াং জেনারেশন আছে তারা যদি একটা যদি ভাল কাজ করেন এই দেশকে কেউ আটকিয়ে রাখতে পারবে না। এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোসা. ইসমত আরা। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাইদুর ইসলামসহ নারায়ণগঞ্জের জেলার কর্মকর্তাগণ।


