অহেতুক কারণে পোস্টঅফিসের বিরলপ্রায় বৃক্ষনিধন
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:২৩ পিএম
মানবসৃষ্ট কারনেই পরিবেশের ক্ষতিসাধন নতুন কিছু নয় । দরকার,অদরকারে, কারন ছাড়াই নির্বিচারে মানুষ গাছ কাটে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরের প্রধান ডাকঘরের নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ করার সময় কম্পাউন্ডের অভ্যন্তরে খালি জায়গার পুরনো বড় তিনটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছগুলো শিমূল প্রজাতির, যা এখন বিলুপ্তির মুখে। কর্তৃপক্ষের দাবী, তারা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়েছেন। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পোষ্টমাস্টার মো: শাহ্ আলমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি গাছগুলো কেটেছেন এবং গাছ বিক্রির টাকা সরকারি খাতে ব্যয় করেছেন।
গাছ ৩ টি কত টাকায় বিক্রি করেছে জানতে চাইলে এড়িয়ে যাওয়ায় সরকারি কোষাগারে কত টাকা জমা হয়েছে তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। গাছগুলো কাটা না হলে ভবন নির্মাণে কোনো ব্যাঘাত ঘটতো কিনা কিংবা ৩ টি গাছে বড় রকমের সমস্যার ধরন জানতে চাইলে,তিনি সুনির্দিষ্ট কোন জবাব দিতে পারেননি। কখনো রাস্তা ফোকাস করার জন্য, কখনো যানবাহন চলাচলের ব্যাঘাত এড়ানো, কখনো স্থাপনার কাজ সম্পূর্ন করতে, কখনো কার্পেন্টিংয়ের জন্য বলে নানাভাবে বৃক্ষ কর্তনের পক্ষে যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
ভবনের সৌন্দর্য ও ফোকাসের প্রসঙ্গে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, নতুন, পুরাতন উভয় ভবনের সামনের ফুটপাতে স্থাপিত দোকান কি ফোকাসের সমস্যা করে না? শুধু গাছ থাকলেই ভবনের সৌন্দর্য হানি হয়? এই বিষয়ে তিনি কোনও জবাব না দিয়ে প্রসঙ্গটি নানাভাবে এড়িয়ে যান। পত্রিকার পক্ষ থেকে খোঁজ নেয়ার পরদিন তাড়াহুড়ো করে গাছের মূল মাটির গভীর থেকে খোদাই করে তুলে ফেলা হয়। পোস্ট মাস্টারের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


