নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলে দুর্নীতি দমন কমিশন
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫৮ পিএম
দীর্ঘ ১৭বছর আগে নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান চাকুরীচ্যুত হওয়ার পরও সরকারী এবং স্কুল তহবিল থেকে প্রায় ৬০ লাখ টাকা অবৈধভাবে উত্তোলন করার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিনিধি ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে স্কুলে তিনি উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেন। এসময় গভনিং বডির সভাপতি ও জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান চন্দন শীল, দাতা সদস্য ও নারায়নগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালাম,অভিভাবক প্রতিনিধি ওয়াহিদ সাদাত বাবু, প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ভুইয়া,সহকারী প্রধান শিক্ষক কমল কান্তি সাহা সহ মাধ্যমিক শাখার সকল শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তদন্ত কর্মকর্তা অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান সকল শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় বলেন, শিক্ষকদের নৈতিকতা মেনে চলে চাকুরী করা উচিৎ। তিনি বলেন শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে ২০০৫ সালে স্কুল কর্তৃপক্ষ চাকুরীচুত করেছে এ অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আমরা সকল শিক্ষক এবং অভিযোগকারীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন করছি এবং সুষ্ঠ তদন্তের জন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি। স্কুল সুত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালে কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব অবহেলা, দূর্নীতি ও অনিয়ম, স্কুলে নিয়মিত ক্লাস না করা, চাকুরীচ্যুত প্রধান শিক্ষক তার মামা খন্দকার আমিনুল ইসলামের মোকদ্দমায় স্কুলের নথিপত্র চুরি করে মামলায় সহযোগিতা করার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন স্কুল পরিচালনা পরিষদ অভিযুক্ত মাহাবুবুর রহমানকে চাকুরীচ্যুত করেন।
এ সময় স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমির হোসেন এবং প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন নাজমুল হক। চাকুরীচ্যুত হওয়ার পর সকল বিষয়ে তথ্য গোপন করে ১৭বছর যাবৎ শিক্ষকতা করে মাহবুবুর রহমান এ পর্যন্ত সরকারী এবং স্কুল থেকে প্রায় ৬০ লাখ টাকা অবৈধভাবে উত্তোলন করার অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে তদন্ত করছেন। বর্তমানে দায়িত্ব পালনরত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ভুইয়া জানান, ‘তিনি স্কুলে নতুন যোগদান করেছেন।ঘটনাটি ২০০৫সালের। তদন্তের শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারবেন না।’ এন.এইচ/জেসি


