Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

গুরুর অর্জনে খোকা নীরব

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১১ পিএম

গুরুর অর্জনে খোকা নীরব
Swapno


দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে স্বপ্ন বুনছিলেন বন্দরবাসী নারায়ণগঞ্জ শহরের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি সেতু নির্মাণের মাধ্যমে। কিন্তু সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য প্রদক্ষেপ নিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত এমপি নাসিম ওসমান।

 

 

সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হওয়ার আগেই সে পরলোকগমন করেন। কিন্তু পরলোকগমন করলেও তার কাজের মাধ্যমে বন্দরবাসীর কাছে আজীবন বেঁচে থাকবেন এই তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু বন্দরবাসীকে উপহার দেয়ার মাধ্যমে।

 

 

সেই তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু বন্দরবাসীর ইতিাহাসের দিন ছিলেন না নাসিম ওসমানের পরিবারের স্ত্রী ছেলে সন্তানরা দাওয়াত পর্যন্ত পাননি নাসিম ওসমানের পরিবার। কিন্তু উপস্থিত ছিলেন তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।

 

 

যার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাসিম ওসমানের অত্যান্ত ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন লিয়াকত হোসেন খোকা। যাকে মৃত্যুর আগে নাসিম ওসমান নিজ দল জাতীয় পার্টি থেকে এমপি হতে সহায়াতা করে এমপি নির্বাচিত করেন।

 

 

কিন্তু গুরুর এত বড় অর্জনে খোকার পক্ষ থেকে বিশেষ কোন প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়নি পাশাপাশি গুরুর পরিবারের অনুউপস্থিতি এড়িয়ে গিয়ে খোকা ছিলেন নীরব।

 


সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল ভারতের রাজধানী দিল্লির দেরাদুন শহরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন নাসিম ওসমান। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৮৮৪, ১৯৮৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে ৪ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন নাসিম ওসমান এবং এই আসনে অসংখ্য উন্নায়ণমূলক কাজ করে গিয়েছেন যার মধ্যে অন্যতম ছিল তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু। যেটা ছিল তার উন্নায়ণমূলক কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। আর এই তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নামকরণ করা হয় নাসিম ওসমান সেতু।

 

 

কিন্তু এই নাসিম ওসমান সেতু উদ্বোধনে ছিলেন না তার স্ত্রী ছেলে সন্তানরা। কিন্তু উপস্থিত ছিলেন তার হাতে গড়া নেতা এবং তার আশীবাদে বর্তমানে জাতীয় পার্টি থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হিসেবে আছেন লিয়াকত হোসেন খোকা। কিন্তু গুরুর এত বড় একটি অর্জনে শীর্ষ্যের ছিল না বড় ধরণের আয়োজন।

 

 

পাশাপাশি গুরুর পরিবারের অনুউপস্থিতি নিয়েও ছিল না তার কোন মাথা ব্যাথা। উদ্বোধন অনুষ্ঠানেও তাকে দেখা যায় বেশ অমনোযোগী বরাবরই তিনি বক্তব্য কালে চোখ বন্ধ করে জিমাতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী নাসিম ওসমানকে নিয়ে বিভিন্ন প্রশংসামূলক বক্তব্য দিলেও তিনি বক্তব্যের প্রতি অমনোযোগী থেকে জিমাতে থাকতে দেখা যায়।

 

 

আরো একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়, বিভিন্ন দিবসে এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন সভা সমাবেশ করলে নারায়ণগঞ্জ ছাড়িয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন অলিতে গলিতে ব্যানার ফ্যাস্টুন সাটাতে দেখা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন সভা সমাবেশে হাজার হাজার লোক নিয়ে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

 

 

কিন্তু গুরুর এত বড় অর্জনের দিন ছিল না তার তেমন কোন প্রস্তুতি অনেকটা ডেম কেয়ার করে এই অর্জনকে তিনি এড়িয়ে যায়। কিন্তু নাসিম ওসামানের অন্যান্য নেতাকর্মীরা ঠিকই নাসিম ওসমানকে স্মরণ করেছিলো ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে ফেলেছিল পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর বন্দর এলাকাসহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ।

 

 

পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়ে ছিলো চোখে মুখে ছিল আনন্দ উচ্ছাস এবং নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা। কিন্তু খোকার এত অর্জনের পিছনে নাসিম ওসমানের সহযোগীতা থাকলেও কিন্তু গুরুর এত বড় অর্জনে খোকার তেমন উচ্ছাসিত হতে দেখা যায়নি এবং নেতার প্রতি তেমন অনুগত্য প্রকাশ করতে দখো যায়নি।  এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন