ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ঝুঁকি নেই না’গঞ্জে, প্রস্তুতি আছে
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২২, ০৫:৪৯ পিএম
# না.গঞ্জকে এখন পর্যন্ত কোন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনিনি: ডিসি
# প্রস্তুত ৪ আশ্রয় কেন্দ্র : ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা
সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে, সাথে বইছে ঝড়ো হাওয়া। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে কখনোই এমন ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়নি। ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষার কৌশলও জানা নেই, এই জেলার মানুষের। তাই অনেকেই আতঙ্কে রয়েছে।
আশার কথা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ জেলাকে এখন পর্যন্ত ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়নি। তাই নেই কোন নিষেধাজ্ঞা কিংবা পরামর্শও আসেনি। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ ২৪ অক্টোবর বিকাল ৫টায় গণমাধ্যমকে বলেন, নারায়ণগঞ্জকে এখন পর্যন্ত কোন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আমরা আনিনি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ এখন বাংলাদেশের উপকূল থেকে ১৪৩ কিলোমিটার দূরে আছে। আর কেন্দ্রস্থল আছে ৪০০ কিলোমিটার দূরে। সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ সন্ধ্যা সাতটা থেকে আটটার মধ্যে উপকূলের দিকে আঘাত হানবে। এর কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনে অতিক্রম করবে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে।
এর অগ্রভাগ আঘাত করবে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট থেকে শুরু করে ফেনী ও নেয়াখালী পর্যন্ত। পাশাপাশি কেন্দ্র পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও ভোলা জেলায় আঘাত করতে পারে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানান, অতি জরুরী মহুর্তের জন্য ২৫০ মে. টন চাল ও ৪ লাখ টাকা মজুদ রয়েছে।
কোথাও কোন সমস্যা হলে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। নারায়ণগঞ্জের ৪টি উপজেলায় ৪টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া বন্দরের জেলা ত্রাণ গুদামের ২ তলাকেও চাইলে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকেও আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা দিয়ে হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এন.এইচ/জেসি


