Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

রেলওয়ের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

Icon

এম সুলতান

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২২, ০৮:১৯ পিএম

রেলওয়ের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ
Swapno

 

# রেলওয়ের জায়গায় দোকান নির্মাণ করেছি তো কি হয়েছে :  শুকুর আলী
# কিছু কর্মকতা কমবেশি টাকা খায় : স্টেশন মাস্টার কামরুল ইসলাম 

 

উকিল পাড়ার রেলওয়ের জায়গা দখল করে তোলা হচ্ছে দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা যার সাথে জড়িয়ে আছে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। নারায়ণগঞ্জ ডাবল রেললাইন করার জন্য চাষাড়া থেকে ২নং রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার দুইপাশে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তার কিছুদিন পরেই একটি কুচক্রী মহল টাকার বিনিময় আবার নতুন করে রেলওয়ের দুইপাশে থান কাপড়ের দোকান ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে।

 

 

গতকাল দুপুরে উকিল পাড়ার মোড়ে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে এতোদিন অস্থায়ী দোকান বসিয়ে দোকানদারি করলেও রেলওয়ের লাইন মেন সিরাজ এর সাথে যোগসাজেশ করে দোকানের পিছনে মোঃ বাছেন ও শুকুর আলী সহ আরো অনেকে ৫টি স্থায়ী ভাবে পাকা দোকান নির্মাণ করেছে ও আরো নির্মান করার প্রস্তুত্তি নিচ্ছে।

 

 

এলাকাবাসীর থেকে অভিযোগ উঠেছে সিরাজ ও রেলওয়ের কিছু কর্মকতা মিলে তাদের থেকে ৫ দোকানের জন্য ২৫ লাখ টাকা নিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ রেললাইন ডাবল করা জন্য দুইপাশে ৪৫ ফুট করে জায়গা দখন মুক্ত করা হয়েছে কিন্তু বর্তমানে আবার নতুন করে জায়গা দখন করে ফেলেছে অবৈধ দোকানীরা।  

 

 

২০২০ সালে ১৭ অক্টোবর শহরের ২নং রেল গেট এলাকা থেকে ঢাকা রেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা দুইপাশের কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা, দোকার ঘর ও মার্কেট উচ্ছেদ করেছে যার মধ্যে অর্ধেকই ছপলো ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান হোসিয়ারী কারখানা।

 

 

যার বেশির ভাগ এনজিও বা সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে কারখানা গুলো চালিয়ে থাকেন। নির্মাণাধীন দোকান মালিক শুকুর আলী বলেন, এটা সরকারি সম্পত্তি যে পারছে দোকান করছে তাই আমরাও করছি যদি তারা মনে করে ভেঙ্গে দিবে তাহলে তো কিছু করার নাই। তবে আমরা কারো কোন টাকা দেই নাই

 

 

নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশন মাস্টার কামরুল ইসলাম বলেন, এখন এই পুরো কাজটা প্রজেক্ট এর আওতায় রয়েছে যার জন্য এখন আমি কিছু বলতে পারি না। তবে আমি অনেক বার তাদের বলেছি তারা আমার কথা শোনে না। তবে লাইন ম্যান সিরাজকে আমি জিজ্ঞেস করেছি সে স্বীকার করেনি। তবে কিছু কর্মকতা আছে যারা কমবেশি টাকা খায়।  

 

 

তাকে আবার আমি বলে দিবো। তবে এগুলা বেশি দিন থাকবে না খুব তারাতারি ভেঙে দেওয়া হবে। লাইন ম্যান সিরাজ বলেন, আমি কারো কাজ থেকে টাকা নেইনি সবাই মিথ্যা বলছে। আমি এবিষয়টা আমার সিনিয়রদের জানিয়েছি তারা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।  নারায়ণগঞ্জ ডাবল ট্রেন লাইনের প্রজেক্ট এর দায়িত্বে থাকা সিদ্দিকুর রহমান কে ফোন দিলে তিনি ব্যস্ত আছি বলে ফোন লাইন কেটে দেন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন