‘ফারদিনের মরদেহ কীভাবে শীতলক্ষ্যায় এলো, খতিয়ে দেখা হচ্ছে’
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫২ পিএম
# বুয়েটের যে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তার সর্বশেষ লোকেশন পেয়েছি গাজীপুরে - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বুয়েটের শিক্ষার্থী ফারদিন উদ্দিন পরশের মরদেহ কীভাবে শীতলক্ষ্যায় গেলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি বলেছেন, “বুয়েটের যে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তার সব শেষ লোকেশন আমরা গাজীপুর পেয়েছিলাম। গাজীপুর থেকে পরবর্তী সময়ে কীভাবে এই নদীতে আসলো, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরোপুরি তদন্ত না করে এ বিষয়ে আগে তথ্য দেবো, পরে এ বিষয়টি ভুল হবে, সে রকম কোনো কিছু আমরা করতে চাই না।”
প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনার পেছনে যারাই জড়িত, তাদের আমরা খুঁজে বের করবো। খুঁজে বের করে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।”
এটি একটি হত্যাকাণ্ড সে বিষয়টি সামনে রেখে তদন্ত চলছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট পেলে পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের (২৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার তিনদিন আগে থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
এ ঘটনায় ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন বাদী হয়ে বুধবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফারদিনের বান্ধবী আয়াতুল্লাহ বুশরাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে দুপুরে আয়াতুল্লাহ বুশরাকে আদালতে হাজির করা হয়।
বুশরাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে রামপুরা থানার মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। এন.এইচ/জেসি


