অফিসে বসে থেকেও নাশকতার মামলার আসামী সমাজকর্মী মনির সর্দার
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪০ পিএম
অফিসে বসে থেকেও নাশকতার মামলার আসামী হয়েছেন মডেল গার্মেন্টস এর প্রোজেক্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর জেনারেল ম্যানেজার মনির হোসেন সরদার। গত ৩০ নভেম্বর সন্ধা পৌনে সাতটা থেকে ছয়টা পঞ্চান্ন মিনিটের মধ্যে তিনি ‘বেআইনী জনতাবদ্ধে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অগ্নি সংযোগ, ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন, ককটেল বিস্ফোরণ ’ ঘটান বলে নারায়ণগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
অথচ ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত তিনি তার অফিসেই ছিলেন। মডেল গার্মেন্টস এর এক কর্মকর্তা বলেন, মনির হোসেন সর্দারের অফিসসহ গার্মেন্টস এর বেশিরভাগ অংশ সিসি ক্যামেরার আওতাধীন। ঘটনার সময় তিনি তার অফিসেই ছিলেন যা সিসি ক্যামেরা চেক করলেই পাওয়া যাবে। মনির হোসেন সর্দার এ মামলায় বর্তমানে হাইকোর্টের আগাম জামিনে রয়েছেন। তিনি বিএনপির কোনো কার্যক্রমের সাথে জড়িত নন, কখনো ছিলেন না।
মডেল গ্রুপ ধারাবাহিকভাবে তল্লাসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম করে আসছে। বিগত করোনার সময়ে তাদের নগদ সহায়তা, খাদ্য বিতরণ, মাস্ক-পিপিই বিতরণ, এম্বুলেন্স সার্ভিস, জীবানুমুক্ত করন কার্যক্রম, চিকিৎসা সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম সবার নজর কাড়ে। রোজা ও কোরবানীর ঈদে দরিদ্রদের মধ্যে গরুর মাংস বিতরণ নারায়ণগঞ্জে এক অন্যন্য নজির তৈরী করে। আর মডেল গ্রুপের পক্ষে এসব কার্যক্রমের পুরোধা ছিলেন মনির হোসেন।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার এডভোকেট নুরুল হুদা বলেন, একদিকে মডেল গ্রুপের পক্ষে অন্য দিকে মনির হোসেন নিজেও আলাদাভাবে নানান সামাজিক কাজে সময়, শ্রম, অর্থ ব্যয় করে। পুরো তল্লা এলাকার মানুষ তাকে একজন সমাজ সেবক হিসেবেই চিনে। তার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ তল্লা এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছেনা।
তার এই সমাজ সেবা মূলক কার্যক্রমের কারনে মানুষ তাকে, মডেল গ্রুপকে যে শ্রদ্ধা করে এই শ্রদ্ধায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাসানো হয়েছে বলে আমি মনে করি। এ ব্যাপারে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিচুর রহমানের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এস.এ/জেসি


