Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

রেলস্টেশনে ছাউনিবিহীন লাল-সবুজ স্কুল

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৩৯ পিএম

রেলস্টেশনে ছাউনিবিহীন লাল-সবুজ স্কুল
Swapno


# লাল সবুজের স্কুলের কারণে এখন অনেকেই সফল
# বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান শুভ’র  

 

চাষাঢ়া রেলস্টেশনের পাশে গড়ে উঠা ছাউনিবিহীন অস্থায়ী এই পাঠশালায় ছেঁড়া চটে বসে শিক্ষা গ্রহণ করেন ৬০/৭০ জন স্টেশনের আশেপাশে থাকা সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা। আর তাদেরকে বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা দান করছেন কাঠমিস্ত্রী শুভ চন্দ্র দাস নামের একজন তরুণ। নিজের মাসিক বেতনের এর ৬০ ভাগ টাকা খরচ করেন তিনি তাদের পিছনে।  

 

 

আর বাকি টাকা দিয়ে কোন বাবে নিজের খরচ চালান। চাষাঢ়া রেলস্টেশনে ছিন্নমূল শিশুদেরকে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে চাষাড়া রেলস্টেশনে হঠাৎ চোখে পরে লাল সবুজের পতাকা শ্রী শুভ চন্দ্র প্রাথমিক শিশু বিদ্যালয় যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৬ সালে ১১ মার্চ তারপর থেকে এখনো চলছে পাঠ দান।

 

 

যাদে বাবা-মা নেই অবহেলায় পড়ালেখা করতে পারে না তারাই হলেন এই স্কুলে শিক্ষার্থী। যার একমাত্র শিক্ষক হলেন শুভ তিনি বলেন, সমাজে অনেক বিত্তবানরা আছেন তারা এসব পথ শিশুদের দেখেও দেখে না। তাই পথ শিশুদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি।

 

 

আমি অনুরোধ করবো বিত্তবানরা এদের সহযোগিতায় যেন এগিয়ে আসে। আমি চাই আমার এখানে পরে তারা ভালোল  কোন স্কুলে গিয়ে যাতে পড়ালেখা করতে পারে ও সমাজে ভালো কিছু করতে পারে। আমি নিজেও একটি গরিব ঘরের সন্তান। তবে আমি আমার সামর্থ্যরে মধ্যে যতটুকু সম্ভব এই শিশুদের জন্য কাজ করছি।

 

 

 

আমার এখানে পড়ে আজকে অনেকে পড়াশোনায় আগ্রহী হয়েছেন। যাদের অনেকে ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে সেটা দেখে আমার অনেক ভালো লাগে। তিনি আরো বলেন, আমি আগে গামের্ন্ট এ চাকরি করতাম। তার জন্য ওদের ঠিক মতো সময় দিতে পারিনি।

 

 

তাই আমি সে চাকরি চেড়ে দিয়েছি অনেকদিন হলো একটা ফার্নিচারের দোকানে কাজ করি সেটার মাঝে আমি ওদের পড়াশোনা করাই। যার বেশিরভাগ টাকা দিয়ে ওদের খাতা-কলম কিনে দেই। এভাবেই চলছে আমার অস্থায়ী স্কুল।   এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন