Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

একে অপরের অংশীদার হয়ে আনন্দটুকু ভাগাভাগি করে নেব : মেয়র আইভী

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৬ পিএম

একে অপরের অংশীদার হয়ে আনন্দটুকু ভাগাভাগি করে নেব : মেয়র আইভী
Swapno

 

বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী বলেন, সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার চেষ্টা করছে। আমরা হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই বাঙ্গালি। একসাথে মিলে আমরা বাংলাকে গড়বো এই প্রত্যাশা রইলো। আমরা দেশকে ভালোবাসি মাকে ভালোবাসি সুতরাং যে যার যার ধর্ম পালন করবো। আমরা একে অপরের অংশীদার হয়ে আনন্দটুকু ভাগাভাগি করে নিবো।

 

রোববার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উৎসব ‘শুভ বড়দিন’ উপলক্ষ্যে সাধু পৌলের গীর্জা পরিদর্শনে এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সাধু পৌলের গীর্জার ফাদারকে ফুল এবং উপহার সামগ্রী দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাচ্চাদের নিয়ে কেক কাটেন। এসময় তার সাথে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে সকালে সাধু পৌলের গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্যদিয়ে বড়দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়। সকলের নিরাপত্তা জন্য ছিলো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জানা যায়, বঙ্গবন্ধু সড়কের সাধু পৌলের গির্জা ও সিরাজউদ্দৌলা সড়কের ব্যাপ্টিস্ট চার্চকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। তৈরি করা হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। এছাড়াও অনেকে বাসায় কিংবা অফিসে অথবা চায়নিজ রেস্টুরেন্টে বড়দিন উপলক্ষে অস্থাায়ী গির্জা তৈরি ও ক্রিসমাস-ট্রি সাজিয়েছেন।

 

প্রসঙ্গত, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী দুটি গোত্রের (ক্যাথলিক ও ব্যাপ্টিস্ট) জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরে দুটি গির্জা রয়েছে। ক্যাথলিকদের জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের ১৩৫ বঙ্গবন্ধু সড়কে সাধু পৌলের গির্জা ও ব্যাপ্টিস্টদের জন্য সিরাজউদ্দৌলা সড়কে ব্যাপ্টিস্ট চার্চ। ব্যাপ্টিস্ট চার্চটি ১৮৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। চার্চ প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রেভারেন্ড রামচরণ ঘোষের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সাধু পৌলের গির্জা ১৯৪৯ সালে ইতালিয়ান ফাদার জন সে ক্যাথলিক গির্জা প্রতিষ্ঠা করেন।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন