Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

দুর্ধর্ষ তোফাজ্জলকেও হার মানিয়েছে মীরু

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩৪ পিএম

দুর্ধর্ষ তোফাজ্জলকেও হার মানিয়েছে মীরু
Swapno

 

 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুরে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী স্ত্রীর করা নির্যাতনের মামলায় গ্রেফতার করার পরপরই কুতুবপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। কারণ রবিন কুতুবপুর এলাকায় বিশাল মাদকের বিস্তার ঘটিয়েছিলো তাই তার এই গ্রেফতার মেনে নিতে পারেনি। তার মাধ্যমেই পুরো এলাকায় হরদমে মাদক ছড়িয়ে পড়তো নেশাগ্রস্থদের হাতে। আর এই মাদকের কারণে এলাকার যুব সমাজ একেবারে ধ্বংসের পথে চলে গিয়েছে। তবে এই যুব সমাজকে নষ্ট করা কে  এই রবিন, কার নির্দেশনায় প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে মাদক বিক্রি করে। সবকিছু খোলাসা হচ্ছে যখন এই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রবিন যখন পুলিশের হাতে  গ্রেফতার হয়। রবিন গ্রেফতার হওয়ার ঘন্টা পার হতে না হতে ফতুল্লা থানায় এসে হাজির হন মীরু।কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও পারেনি থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে শেষে হতাশ হয়েই ফিরতে হয় আওয়ামী লীগের এই নামধারী নেতা মীরুকে।

 

জানা যায়, কুতুবপুরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতাসহ নানান অপকর্মে বেশ আলোচনায় রয়েছেন। শুধু তাই নয় আড়ালে থেকে কুতুবপুরের সকল মাদক ব্যবসায়ীদের সেল্টার দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মাদক ব্যবসায়ী রবিনকে ছাড়াতে না পেরে এখন মীরু বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে এমনটাই অভিযোগ করে তার স্ত্রী সুরাইয়া। সুরাইয়া আরও জানায়, এই সবকিছুর মূলে মীরু ওনার কারনে আমার এই দিনগুলো দেখা লাগতাছে। আমি সবার কাছে দু হাত তুলে ভিক্ষা চাচ্ছি আপনারা আমার সন্তানকে আমার কাছে এনে দেন। আমি আমার সন্তানকে না পেলে বাচতে পারবো না। এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মীরু জানান, দুই তিনজন লোক ওরে বানাইয়া বানাইয়া শিখাইয়া দিতাছে আর সে তাই  বলতাছে। আমি ওরে জীবনে দেখিনাই ও রবিনের সাথে সংসার করছে এটাও আমি দেখি নাই ।

 

সূত্রে জানা যায়, কুতুবপুরে এক সময়ে তোফাজ্জল নামে একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী ছিলো। যার অত্যাচারে এলাকার কোন মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারেনি। পুরো কুতুবপুর অপরাধের সাম্রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলেছিলো তার নিয়ন্ত্রণে কুতুবপুরে সন্ত্রাস কায়েম সৃষ্টি হয়েছিলো। কিন্ত সকল অপরাধের সমাপ্তি আছে আর সেটাই হয়েছিলো তোফাজ্জলের ক্ষেত্রে। আইনশৃঙ্খলা বাহীনির তৎপরতায় তোফাজ্জল ক্রসফায়ার হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তবে থেমে থাকেনি কুতুবপুরের অপরাধ।

 

পরবর্তীতে মুক্তার, আলী হোসেন সহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী মাথাচারা দিয়ে উঠেছিলো তবে তাদের স্থায়ীত্ব আর হয়ে দাঁড়ায়নি। তাদেরও পরিণত হয়েছিল সেই তোফজ্জলের মতো। তবে থেমে থাকেনি মীরু। তিনি ধরে রেখেছেন দুর্ধর্ষ সেই তোফাজ্জলের আধিপত্য। এক সময় এই মীরু তার অন্যতম সহযোগী হলেও তার অপকর্ম এমন পর্যায়ে চলে গেছে তার গুরু তোফাজ্জলকেও ছাড়িয়ে গেছেন। মীরু এই কুতুবপুরের সাধারণ মানুষের জন্য ভয়ঙ্কর ত্রাসে পরিণত হয়েছে। তাই এই এলাকার সাধারণ মানুষ আর কোন ধরনের সন্ত্রাস চায় না ।তারা এলাকায় আর মাদক চায়না, চাঁদাবাজি চায়না, তারা শান্তি চায়।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন