Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

কুতুবপুরের বিষফোঁড়া মীরু

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:০০ পিএম

কুতুবপুরের বিষফোঁড়া মীরু
Swapno


কুতুবপুরে এখন মুর্তিমান আতঙ্ক মীর হোসেন মীরু। যিনি এখন কুতুবপুর সাধারণ মানুষের কাছেই শুধু আতঙ্কেরই নামই নয় বরং এখন বিষফোঁড়া হয়ে মানুষকে যন্ত্রনা দিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় সাধারন অসহায় মানুষকে ভোগান্তির পর এখন কুতুবপুর আওয়ামী লীগে ধ্বংসের পাঁয়তারায় নেমেছেন এই মীরু।

 

 

জানা যায়, তার সকল অপকর্মের অংশীদার হয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন কে। যিনি কুতুবপুরের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার ,চিহ্নিত চাদাঁবাজ ,ভূমিদস্যু মীর হোসেন মীরুকে সরাসরি সকল অপকর্মের সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।

 

 

আর এই আওয়ামী লীগ নেতাকে নিয়ে জসিমকে তার স্বার্থের জন্য ব্যবহার করে নানান অপকর্মে লিপ্ত হয়ে দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে। আর এই আওয়ামী লীগ নেতা জসিমকে হাতিয়ার করে জোরপূর্বক মানুষের জমি দখল ,টেন্ডাবাজি,বিচার শালিশি করে অবৈধ পন্থায় টাকার প্ড়াার তৈরী করেছেন।

 

 

কুতুবপুরে আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতারা তার কাছ থেকে লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলা চলে মীরুর কারনেই আজ কুতুবপুর আওয়ামী লীগের বেহাল দশা।দেখা গেছে তিনি একজন সামান্য সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা হয়েও কুতুবপুর আওয়ামী লীগ নেতাদের তার নিয়ন্ত্রনে রেখেছে । আর এর মূল কারন হচ্ছে তার আছে বিশাল বাহিনী ।

 

 

তার এই বাহিনী তার নির্দেশনায় কেউ মাদক ,কেউ চাদাঁবাজি ,কেউ ফিটিং ,কেউ জমি দখল সহ অন্যান্য যে সকল অপকর্ম রয়েছে এক একজনকে এব একটার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সেই সকল টাকা এসে কুতুবপুরের গডফাদার মীরুর ফান্ডে এসে জমা হয়।

 

 

বলা চলে এই কারনেই কুতুবপুরের আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম সহ আরও বেশ কয়েকজন তার কাছ থেকে কিছুৃ টাকার পাওয়ার জন্য মীরুর অবৈধ কাজকেও তারা সমর্থন করে। আর মীরু এই সকল খারাপ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যাওয়ার কেউ সাহস পায় না আবার কেউ কেউ প্রতিবাদ করতে গেলেই তার হুমকী ধামকির শিকার হয়ে আবারো চুপ হয়ে যায়।

 



শুধু তাই নয় একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কি করে একটি কবরস্থান কমিটির সদস্যের তালিকায় থাকে এটা মানুষের বোধগম্য হয়না। কবরস্থান একটা পবিত্র স্থান আর মীরুর মতো একজন মাদকের গডফাদার কবরস্থানের কমিটিতে থাকার কারনে অনেকেই এটা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তার যখন যেটা প্রয়োজন মনে হয়েছে সেই স্থানই দখল করে নিয়েছে। আর সেটার জন্য যে প্রদান করতে আসতো তার বিরুদ্ধেই চলতো অত্যাচার।

 



নাম প্রকাশ্যে আনিচ্ছুক এক নেতা জানান, শামীম ওসমানের বিভিন্ন প্রোগ্রাম সমাবেশে ফতুল্লার মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকজন নিয়ে উপস্থিত থাকার কারনে বেশিরভাগ সময়ই আলোচনায় থাকেন।কিন্ত ভিতরের খবর হয়তো অনেকেই জানেনা প্রেগ্রাম হওয়ার আগের দিন বিভিন্ন মেইল -ফেক্টরী থেকে লোকজন গোছানোর কাজ শুরু হয়।

 

 

অনেক মিল কারখানার কাজ বন্ধ রেখেও তার সাথে মিটিং যেতে হবে বলা হয়। যে যাবে ভালো, আর না গেলেই শুরু হয়ে যায় তার বাহীনির নির্যাতন। এমনকি অন্য কারো নেতৃত্বে মিটিং এ যেতে চাইলে তাকে যেতে দেওয়া হতনা তার সাথেই যেতে হবে তা না হলে মিছিল বড় হবে না ।

 


তবে কুতুবপুর ঘুরে বর্তমানে জানা গেছে এখন আর মীরুর ভয়ে এলাকা ছাড়তে রাজি নন। অনেকেই আবার প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।কুতুবপুরের সচেতন মানুষ আর এই মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি চায় না, খুন চায় না। এই এলাকার মানুষ এখন চাঁদা দিয়ে বাড়িঘর তুলতে চায় না। তারা এই সন্ত্রাসী মীরুর হাত থেকে বাঁচতে চায় ।

 



অনেকের মনে এখনো প্রশ্ন হয়তো এমপি শামীম ওসমান তার অপকর্মের কথা জানে না জানলে হয়তো মীরু এতোটা বেপরোয়া হতে পারতো না। তাই এলাকার সাধারন মানুষ চায় মীরুকে আইনের আওতায় আনা হোক এবং বিগত দিনে তার বিরুদ্ধে যে সকল হত্যা মামলা হয়েছে সেগুলোকে সুষ্ঠু ভাবে তদন্ত করে তাকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন