Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

আবরার হত্যার প্রতিবাদ করায় ফারদিনকে জীবন দিতে হয়েছে:ফারদিনের বাবা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:৩১ পিএম

আবরার হত্যার প্রতিবাদ করায় ফারদিনকে জীবন দিতে হয়েছে:ফারদিনের বাবা
Swapno


 
ফতুল্লার ছেলে ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের (২৪) মৃত্যুতে তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাকে আবারও দায়ী করলেন ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন রানা। তিনি বুশরাকে ফারদিন হত্যার ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

 

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহেসিন ইফতেখারের আদালতে বুশরার জামিন শুনানি হয়। এর আগে গত ৩১ নভেম্বর বুশরার আইনজীবী ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বুশরার জামিনের আবেদন করলে আদালত শুনানির জন্য ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

 

 

শুনানিতে বুশরার আইনজীবী মোখলেসুর রহমান বাদল বলেন, বুশরা ফারদিনের একজন ভালো বন্ধু ছিলেন। তিনি কোনোভাবে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না। তদন্ত সংস্থা এরইমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে বলে দিয়েছে, ফারদিন আত্মহত্যা করেছেন। বুশরা মেধাবী ছাত্রী। তিনি নির্দোষ। আমরা তার জামিন চাই। আদালতে বুশরার জামিনের ঘোর বিরোধিতা করেন ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা।


 

ফারদিনের বাবা নূরউদ্দিন রানা বলেন, বর্তমান তদন্ত সংস্থা যেসব কথা বলছে তা আষাঢ়ে গল্প। বুশরা আমার ছেলেকে হত্যা করেননি। তিনি হত্যার ইন্ধনদাতা। বুশরা পরিকল্পনা করেছেন আমার ছেলেকে হত্যা করার। বুশরা একজন মেয়ে মানুষ। বুশরাকে রাত ১০টায় আমার ছেলে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

 

 

আমার ছেলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করত। বুয়েটছাত্র আবরার হত্যার প্রতিবাদও করেছে। আমার সন্দেহ এ কারণে তাকে জীবন দিতে হয়েছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই। গত ১৫ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুতে তার বান্ধবী আমাতুল বুশরার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

 

 

মামলার অভিযোগপত্রে বিষয়টি উল্লেখ করা হবে। তার আগে দীর্ঘ ৩৮ দিনের তদন্ত শেষে তদন্তকারী সংস্থা ডিবি জানায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে ফারদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একা একাই ঘুরে বেড়িয়েছেন। পারিপার্শ্বিক বিষয় দেখে মনে হয়েছে তিনি আত্মহত্যা করবেন সিদ্ধান্ত নিয়েই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন। সবকিছু মিলিয়েই তারা সিদ্ধান্তে এসেছেন।

 

 

গত ৫ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ফারদিন। ওইদিনই রাজধানীর রামপুরা থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের দুদিন পর ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিন নূর পরশের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।

 

 

‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগে ফারদিন নূর পরশের বাবার করা মামলায় গত ১০ নভেম্বর সকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন