মালিক-চালকের আতঙ্কের নাম টিআই ইমরান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:৪৪ পিএম
# এমনটি আমার জানা নেই : টিআই এডমিন করিম
ট্রাফিক পুলিশ শহরে সব থেকে বেশি আলোচিত একটি শব্দ। ট্রাফিক পুলিশ যেমন দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষের যাতায়াতকে মসৃণ করে। আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যক্তিস্বার্থে ট্রাফিক ব্যবস্থাটাকে জটিল করে ফেলে।
সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ইমরান টাকা ছাড়া যেনো কিছুই বুঝেনা। দূর পাল্লার বাস চালকরা এমন অভিযোগ করতে করতে এখন অতিষ্ঠ। তাদের দাবি, শুধুমাত্র তাদের কাছে থেকেই প্রতি মাসে টিআই ইমরানের লাখ লাখ টাকা আয়, যার সবটা হলো পরিবহন থেকে চাঁদাবাজির টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, শহরে মেট্রো হল, চাষাড়া, শিবু মার্কেট এলাকা থেকে ছাড়া বিভিন্ন জেলার দূর-পালার বাস ও ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলরত সকল বাসকে মাসিক চাঁদা দিতেই হবে এমন ফর্মুলা বাতলে দিয়েছেন তিনি। না দিলে হবে মামলা ও হয়রানী।
চাষাড়া ও শিবু মার্কেট এলাকা থেকে দূর-পালার বাসগুলোকে দিতে হয় সর্বনিম্ন ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা ও ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ রুটে বা আশেপাশে চলাচল করে এমন ছোট বাসগুলোকে দিতে হয় সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা।
নারায়ণগঞ্জ শহরে সকল বাস মালিকদের মুখে এক আতঙ্কের নাম টিআই ইমরান। যাকে মাসিক চাঁদা না দিলে চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি বা গাড়ির কাগজ আটক করে রাখাই তার প্রধান কাজ।
তারা অভিযোগ করে বলেন, টি আই ইমরানের প্রধান সেনাপ্রতি হিসাবে কাজ করেন কমিউনিটি পুলিশের সদস্য বাবুল ওরফে (পান বাবুল) । যার কাজ হলো প্রতি মাসে সকল কাউন্টারগুলো মাসিক চাঁদা তোলা। চাদাঁ না দিলে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তারা।
গত দুইদিন আগে শিবু মার্কেট এলাকায় তিশা কাউন্টারে বাবুলে হানা দিয়ে বলেছে, আগে দিতে ৬ হাজার এখন থেকে দিতে হবে ৮ হাজার তা না হলে আপনাদের গাড়ি শহরে চলতে দেওয়া হবে না। সেটা দিতে অস্বীকার করায় একটি গাড়ির কাগজ আটক করে রাখেন টি আই ইমরান, যা একনো এখনো দেয়া হয়নি বলে জানান কাউন্টার থেকে।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক এডমিন টি আই করিম বলেন, সারাদেশে চলছে গাড়ি কে টাকা না খায়। তবে আপনি যেটি বলেছেন সেটা আমার জানা নাই। পরিবহন মালিকরা সকলকে টাকা দিয়েই তারা গাড়ি চালায়। এবং কি শাহ্জাহান খান নিজেও টাকা দিয়ে পরিবহন পরিচালনা করে।
ট্রাফিক পুলিশ টি আই ইমরান যুগের চিন্তাকে বলেন, ভাই আমি এবিষয়ে কিছু জানি না। আমি এখন বাড়িতে আছি। যারা আপনাকে এসব বলেছে, তাদের আমার কাছে নিয়ে আসবেন।


