Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

বক্তাবলীর প্রাণের দাবি সেতু

Icon

আরিফ হোসেন

প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০১:০৯ পিএম

বক্তাবলীর প্রাণের দাবি সেতু
Swapno

 

# সেতু হলে পাল্টে যাবে সেই এলাকার চিত্র

 

 

অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক উভয় কারণে ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়ণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনায়েতনগর, কাশিপুর, বক্তাবলী ও আলিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত লাখো মানুষের চলাফেরা বক্তাবলীতে। এতে করে সকলের প্রাণের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে বক্তাবলী সেতুটি। সেতুটি হয়ে গেলে এই অঞ্চলের যোগাযোগে যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটবে। অর্থনৈতিকভাবে চাঙ্গা হবে এ অঞ্চল তথা আশেপাশের অঞ্চলের মানুষ। বর্তমানে বক্তাবলীর সাথে সড়ক পথে মুন্সিগঞ্জের সাথে যোগাযোগ থাকলেও নারায়ণগঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন হয়েও নারায়ণগঞ্জের এর সাথে সড়কযোগে বক্তাবলীর কোনো সংযোগ নেই ।

 

বর্তমানে নদী পার হতে ফেরির সাহায্য নিতে হয়। এ সেতুটি হয়ে গেলে মুন্সিগঞ্জের সাথে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার সরাসরি সড়ক পথে সংযোগ তৈরি হবে। এতে করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি এ অঞ্চলের মানুষের সার্বিক উন্নতি সাধিত হবে। এ সেতু নিয়ে বহুদিন ধরে চর্চা চলমান থাকলেও সয়েল টেস্ট সম্পন্ন হওয়া ছাড়া আর কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বক্তাবলী ঘাট পরিদর্শনে গেলে দেখা যায় গাড়ির দীর্ঘ সারি পাড় হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে পারাপারে ব্যবহৃত সেতুটি নদীর অন্যপারে। জানা যায় ঐপারে ফেরি সম্পূর্ণ ভর্তি হলে এ পারের উদ্যেশ্যে রওনা করবে। এভাবে ফেরি ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত অন্যপারে অপেক্ষায় থাকে গাড়ি। এতে করে সময়ের ব্যাপক অপচয় হয়।

 

অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌছে। খারাপ আবহাওয়া ও ঘন কুয়াশার কবলে পড়লে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিপাকে পড়ে সকল শ্রেনী পেশার মানুষ। পার হতে পারেনা রোগীবাহী এম্বুলেন্স কিংবা অপেক্ষায় থাকে পরীক্ষা দিতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা। চাষীরা তাদের সবজি বিক্রি করতে ঘাটে অপেক্ষমান থাকে। পণ্যবাহী ট্রাক কিংবা কাভার্ড ভ্যান অপেক্ষায় থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এ সেতুটি এখন প্রাণের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের।

 

জনগণের তীব্র আকাঙ্খার এ সেতুটি  নিয়ে আশার বানী শুনিয়েছিলেন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী। তবে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি কতটুকু বাস্তবায়ন করেছেন সে সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাকে ধন্যবাদ একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছেন। এই সেতুটার বিষয়ে আমরা যখন আমাদের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের সাথে কথা বলি তিনি এই সেতুটি নিয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন। আর এই সেতুর প্রাথমিক যে প্রক্রিয়াটা এটার জন্য তিনি আমাদের উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার খোরশেদ আলম সাহেবেকে বলেন সেতুটা করতে হলে এর প্রসিডিউটারকি সেটা আপনি বলেন।

 

তখন উনি এই সেতু বিভাগের সাথে সম্পর্কিত ওখানে একটা ডিউ লেটার প্রদান করেন। এর পরই এখানে কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনে আসে এবং সয়েল টেষ্টের জন্য প্রক্রিয়া চলছিলো। কিন্ত তখনই সারাবিশ্বে করোনা হানা দেয়। আর ওইখান থেকে এই সেতুর জন্য সকল কার্যক্রম বন্ধ করেছে। তবে আমি ও আমাদের সাংসদ এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এই এলাকার মানুষ যাতে করে এই বক্তাবলী এলাকার মানুষ ও এর আশেপাশের জেলারও মানুষ অনেক উপকৃত হবে এবং এখানকার যতো কৃষক আছে সর্বসাধারনের এই সেতুর দাবি বাস্তবায়ন হবেই যা শুধু এখন সময়ের অপেক্ষা স্বপ্ন পুরণের।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন