# পুলিশ একটি ঘাতক পরিবারকে বাঁচানোর জন্য ভূমিকা পালন করছে : রফিউর রাব্বি
# আপনি হুঁশ করে কথা বলবেন শামীম ওসমান : মাহবুবুর রহমান মাসুম
# শামীম ওসমানকে গ্রেফতার করুন : তরিকুল সুজন
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়াবাড়ির দিন শেষ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের নেতারা।তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার ১১৯ মাস উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলায়তন প্রাঙ্গণে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজিত আলোক প্রজ্জ্বালন অনুষ্ঠানে এই হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাহমুদের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ভবানী শংকর রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ত্বকীর বাবা সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এড. এবি সিদ্দিক, দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এড. মাহাবুবুর রহমান মাসুম, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সহ সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. আওলাদ হোসেন, সিপিবির শহর সভাপতি আবদুল হাই শরীফ, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমির সভাপতি মাইনুদ্দিন মানিক, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা সভাপতি প্রদীপ সরকার প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহবায়ক ত্বকীর বাবা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, আমরা আজকে যথন ত্বকী হত্যা ১১৯ মাসের দাঁড়িয়েছি তখন আমরা একটি বিষয় লক্ষ্যে করছি। দেশের বাস্তবতায় সরকার আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ন ধ্বংস করেছে। আমাদের স্বাধীনতার পূর্বে যে সরকারগুলো ছিল। তাদের সময়ে ও এই বিচার ব্যবস্থা এমনি মুখ থুবড়ে পরে নাই। পাকিস্তানেরর্ শাসন আমলে এমনি স্বাধীন দেশে ও বর্তমান শাসক গোষ্ঠি যেভাবে বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। এমনি ধ্বংস স্থবে পরিনত হয়নি। আমরা দেখেছি বর্তমানে দেশে বিচার অবস্থার যে দূর অবস্থা আমাদের এশিয়ার কোন দেশে এমনি কোন দূর অবস্থা হয়নি। আমরা যাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সেই পাকিস্তানে ও বিচার ব্যবস্থা এমনি দূর অবস্থার মধ্যে পরে নাই। সেখানে ও বিচার ব্যবস্থার একটি স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান সরকার বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ন ধ্বংস করেছে।
তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় বিচার হচ্ছে আবার অনেক জায়গায় তাদের নির্দেশেই বিচার বন্ধ হয়ে আছে। আজকে শাসক গোষ্ঠি বলছে এটি তাদের মতে একটি গণতন্ত্র। আওয়ামী লীগের একটি আওয়ামী মার্কা গণতন্ত্র তারা এখানে প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা বর্তমানে যে উন্নয়নের হাওয়া দেখাচ্ছে তা তারা বলতে চাই আমাদের বাংলাদশে ইতিমধ্যে হয়নি। আমাদের ইতিহাস আমাদের সামনে নাই আমরা দেখছি না আমাদের দেশে কিভাবে এটি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। আমি বলতে চাই বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ তাদের মিথ্যা বলা সকল মন্ত্রীদেরকে আপনারাকি আয়নায় আপনাদের চেহারা দেখেন না। মিথ্যা বলার সময় আপনাদের মুখ কাপে না। আপনারা জনগণকে কিভাবে এতো বোকা মনে করেন। বাঙ্গালীকে কোন ইতিহাস যানে না। আপনারা যদি এতোই উন্নয়ন করে থাকেন তাহলে একটি স্বচ্ছ নির্বাচনে এতো ভয় কেন।
আপনারা বলেন জনগণ আপনাদের পক্ষে আছে। জনগণ যেহেতু আপনাদের পক্ষেই আছে তাহলে জনগণকে আপনারা তাদের ইচ্ছা মত ভোটটা দিতে দেন। জনগণের ভোটটা আপনারা কেন কেড়ে নিলেন। আরেকটি সামনের নির্বাচনে জনগণকে তেমনি মূলা দেখিয়ে জনগণবিহীন আরেকটি নির্বাচনে সেখানে জোর করে ক্ষমতায় আপনারা থাকতে চাচ্ছেন। আজকে ১০ বছর হতে যাচ্ছে আপনারা ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ রেখেছেন। সাগর, রুনিকে হত্যা করা হয়েছে ১১ বছর আগে। সেটা ও আপনারা বন্ধ করে রেখেছেন। আগামী মাসের ১০ বছর পূর্ন হচ্ছে আমার সেই পরিপ্রেক্ষিতে ত্বকীসহ নারায়ণগঞ্জের সকল হত্যাকান্ডের বিচার চাই। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ একটি ঘাতক পরিবারকে বাঁচানোর জন্য ভূমিকা পালন করছে। তারা মনে করছে এই পরিবারকে রক্ষা করাই হচ্ছে তাদের দায়িত্ব। ইতিহাস আপনাদেরকে ও ক্ষমা করবে না।
তাই বলতে চাই নিমোক হারামী না করে যাদের টাকায় রিজিক হচ্ছে আপনাদের সেই মানুষের সেই জনগণের পক্ষে আসেন। নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, তানভীর রহমান ত্বকী হত্যার দশটা বছর পার হয়ে যাচ্ছে। আর এই সরকার ক্ষমতায় রয়েছে চৌদ্দবছর। আমরা দশ বছর যাবৎ প্রতি মাসে এই ত্বকী হত্যার বিচারের দাবি জানাচ্ছি ও সকল সভা অনুষ্ঠানে ও এই দাবি জানাচ্ছি কিন্তু এই সরকারের টনক নড়ে না। নিষ্টুর একটি সরকারের কবলে এই দেশ, এই ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা বলেছি যে পর্যন্ত এই ত্বকী হত্যার বিচার না হবে আমরা এই রাজপথ ছাড়বো না। আপনি ক্ষমতায় আছেন কালকে আপনি ক্ষমতায় থাকবেন না। কিন্তু আমরা রাজপথে থাকবো যতদিন ত্বকী হত্যার বিচার না পাই। এই ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা সরব হয়ে অনেক কথা বলি। কিন্তু যাদের উদ্দেশ্য বলি, তারা হলো ত্বকী হত্যার নির্দেশ দাতা ওই শামীম ওসমান। তিনি ওই এক সভায় বলে পাগল ছাগল কি বলে আমি মাইন্ড করি না।
আমি তাকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই আপনি মাইন্ড করবেন কেন আপনিতো নারায়ণগঞ্জের সম্রাট, গডফাদার, ক্যাডারদের সম্রাট, সব সন্ত্রাসীদের সর্দার আপনি কখনো মাইন্ড করতে পারেন না। আপনি বলেন আমরা পাগল আমাদের সন্তান চলে গেছে তাই আমরা বিচার চাই আমরা সাগর, রুমী, তনু, ত্বকী হত্যার বিচার চাই চঞ্চল, বুলু, মিঠু হত্যার বিচার চাই আমরা পাগল। আপনি হুঁশ করে কথা বলবেন শামীম ওসমান। আপনি কথায় কথায় বলেন, ধৈর্য্য ভেঙে গেলে কি হবে বলা যায় না, কারো বাড়ির ইট থাকবে না। ধৈর্যটা একটু হারান না দেখি না আপনার ক্ষমতার কত দূর। আপনি ত্বকীকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন আর আপনার পরিবারের সদস্যরা ত্বকীকে হত্যা করেছে। আজকে ধৈর্য্য হারিয়ে আরেকটি নির্দেশ দেন। তিনি আরো বলেন, গত পরশুদিন আঙ্গুরা প্লাজায় হোটেল ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কেন এই হত্যাকান্ড হল আজকে ত্বকী হত্যার বিচার হতো তাহলে এই হত্যাকাণ্ড হতো না। প্রকাশ্যে লাইন্সেস করা অস্ত্র নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
আজকে যখন নারায়ণগঞ্জের মেয়র যখন হকারদের উচ্ছেদ করার জন্য শান্তিপূর্ন মিছিল নিয়ে বের হয়েছিল। সেখানে যে নিয়াজুল গুলি করেছিল যে শাহ নিজাম পিস্তল উঠিয়ে গুলি করেছিল। তাদের বিচার হয়নি বলে। আজকে নারায়ণগঞ্জে এই সমস্ত ঘটনাগুলো ঘটছে আজকে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি এতো অবনতি ঘটছে। শান্তিময় নারায়ণগঞ্জ একটি অশান্তিময় পরিস্থিতি রূপান্তরিত হয়েছে। এদিকে তাকালে খুন, এদিকে তাকালে হকার, ওদিকে তাকালে ফুটপাত বন্ধ সব মিলিয়ে এক অরাজক নারায়ণগঞ্জ। এই রকম প্রসাশন যেমন আর কখনো নারায়ণগঞ্জে আসেনি তেমনি এই রকম অরাজক নারায়ণগঞ্জ আর কখনো হয়নি। তাই আজকে নারায়ণগঞ্জ একটি ধ্বংসে পরিণত হয়েছে। জেলা প্রশাসক সাহেব আপনাকে আমি বলি নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রের লাইন্সেস কয়টি দিয়েছেন। কার কার কাছে অস্ত্রের লাইন্সেস আছে। ওই অস্ত্র কি তাদের কাছে নিরাপদ নাকি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এই অস্ত্র ব্যবহার করে। তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য অবিলম্বে প্রকাশ করুন, কয়েকশো মানুষ অস্ত্র পেয়েছে। কোন কোন সন্ত্রসীর কাছে আজকে লাইন্সেস করা অস্ত্র আছে সেটা আমরা জানতে চাই আমাদের জানার অধিকার আছে। আপনি দয়া করে এটা নারায়ণগঞ্জে প্রকাশ করুন।
মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, হকার উচ্ছেদে মেয়রকে হত্যা করার জন্য পিস্তল উচিয়ে ছিলেন প্রধান আসামী নিয়াজুল আওয়ামী লীগের একটি ওয়ার্ডের সভাপতি হয়ে গেল। কি সুন্দর আজকে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ আজকে শামীম ওসমানের আওয়ামী লীগ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন ভালো মানুষ তার সাথে সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস পায়নি। কারণ পিছনে রক্ত চক্ষু আছে শামীম ওসমানের এই অবস্থায় চলছে দল এই অবস্থায় চলছে সরকার। তিনি আরো বলেন আমরা বলতে চাই যে অস্ত্র উচিয়ে গুলি করেছে। সেই অস্ত্রবাজকে অস্ত্র মামলায় চার্জশীট দেওয়া হয়। আর ত্বকী হত্যার কান্ডের যে সমস্ত ওয়ান সিক্সটি ফোরে যাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতার করা হোক অবিলম্বে আইন যা বলে আইন যা মানে আইন যারা প্রতিফলন করে। তারা সকলেই জানে ওয়ান সিক্সটি ফোর হওয়ার পরে এরা পুলিশী হেফাজতে চলে আসে। কিন্তু আমরা দেখলাম ওয়ান সিক্সিটি ফোর করে বীর বাহাদুরের মতো নারায়ণগঞ্জে তারা প্রকাশ্যে ঘুরে কারন তারা ওসমান পরিবার।
আমি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করতে চাই একটা কথা বলতে চাই বাড়াবাড়ি করবেন না। বাড়াবাড়ির দিন শেষ আপনাদের ও দিন শেষ। এই নারায়ণগঞ্জবাসী আপনাদেরকে এমন প্রতিদান দেবে যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক কেঁদেছি অনেক বলেছি অনেক অনুরোধ করেছি। তাই আজকে বলতে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনি বড় নিষ্ঠুর আপনি কাকে বাাঁচানোর জন্য ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ করে রেখেছেন। এটা দেশের জনগণ জানতে চায়। তা না হলে ইতিহাসের অমত নিয়ম যা হওয়ার তাই হবে। মানুষের ঝড় হবে সেই ঝড়ে আপনি হয়তো ভেসে যাবেন। তাই বলি সময় থাকতে আপনি ত্বকী হত্যার বিচারের নির্দেশ দিন। আর দোষীরা শাস্তি পাক আর আমরা ঘরে ফিরে যাই। আর যদি তা না হয় তাহলে আজকে একটা কথাই বলবো আপনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কি হবে এটা বলা বড় মুশকিল। আর আমি শামীম ওসমানকে আরো বলবো বেশি বগর বগর কইরেন না। করলে কি হয় জানেন পাগল আমরা না পাগলের সেই বিশ্লেষণটা শেষ পর্যন্ত আপনার গায়ে পরবে। আর আমি আবারো ত্বকী হত্যার বিচার চাই।
গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সূজন বলেন, তুরুস্কে বা সিরিয়ায় যে ভুকম্পন হয় সেটা রিকটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার। বাংলাদেশে যারা ভূকম্পন বিশ্লেষক আছেন। তারা নিজেরা মনে করেন যদি কেবল মাত্র ঢাকায় রিকটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভুকম্পন হয়। তাহলে শুধু ঢাকাতে ৩ লাখের ও বেশি মানুষের প্রানহানী ঘটবে। এই যে, পুরো বাংলাদেশে তারা হিসেবে দিয়েছেন। ঢাকাতে প্রায় ১৬ লক্ষ, চট্টগ্রামে ২ লক্ষ, সিলেটে ১ লাখ। প্রায় ১৭ লক্ষের মতো ৬ তলার উপরে দালানকোঠা রয়েছে। সেই সমস্ত দালান কোঠাগুলো যথাযথ নিয়ম মেনে ভূকম্পন কিংবা সেটা সূর্যের মাত্রা নির্ধারন করতে পারে। কিংবা সেটার সামর্থ রাখে সেটা নিয়ে বিল্ডিংগুলো গড়ে উঠাননি। আর এই ভূকম্পনের মাত্রা যদি ৭ হয় তাহলে তা আটকানোর ক্ষমতাপুরো বাংলাদেশ রাষ্ট্র রাখে না। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার আস্থধীন প্রিয় ভাজন ওসমান পরিবার যাদের প্রতি আপনার অগাদ আস্থা যাদেরকে আপনারা গুন্ডাপান্ডা কিংবা রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন।
আমরা বার বার বলেছি ওসমান পরিবার একটি খুনি পরিবার যারা নারায়ণগঞ্জকে একটি সন্ত্রাসী জনপদে পরিনত করেছে। যারা নারায়ণগঞ্জকে একটি গুম খুনের নগর হিসেবে পরিণত করেছে। আমরা অবিলম্বে বলতে চাই আপনার এই খুনি বাহিনী যারা আছে তাদেরকে গ্রেফতার করুন তাদেরকে বিচারের আওতায় আনুন। মনে রাখবেন দেশটি আপনার বাপ দাদার জমিদারি নয়। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহিদ ও ২ লক্ষ নারীর নিপীড়ন সহ্য করার মধ্যে দিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। ত্বকী হত্যাসহ সকলের বিচার কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন না। এটা বাংলাদেশের জনগণই আদায় করবে। আমরা নারায়ণগঞ্জকে একটি বাস যোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার জন্য আন্দোলন করছি। আমরা পূর্বেও ওয়াদা করেছি আজকে ও নতুন করে ওয়াদা করলাম। যতদিন আমাদের দেহে একবিন্দু রক্ত থাকবে আমরা নারায়ণগঞ্জে ত্বকীসহ সকলের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লড়াই করবো। আর নারায়ণগঞ্জকে একটি বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ হিসেবে গড়ে তুলবো। আর আমি শেখ হাসিনাকে আবারো বলতে চাই ওসমান পরিবারকে গ্রেফতার করুন। শামীম ওসমানকে গ্রেফতার করুন, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনুন এবং ত্বকী, আসিস, চঞ্চলসহ সমস্ত হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দু’দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে জানায়, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। ৫ মার্চ ২০১৪ তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদেরই টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। অচিরেই তারা অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করবে। কিন্তু সে অভিযোগপত্র আজো আদালতে পেশ করা হয় নাই। ত্বকী হত্যার পর থেকে বিচার শুরু ও চিহ্নিত আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
এস.এ/জেসি


