ডিবির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজির আবেদন ফারদিনের বাবার
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:১৯ পিএম
বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুতে হওয়া মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজি দিতে আবেদন করেছেন বাদী পরশের বাবা নুর উদ্দিন রানা। মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে নারাজি দিতে সময়ও চেয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিকের আদালতে আমাতুল্লাহ বুশরার অব্যাহতি চেয়ে ডিবি পুলিশের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন বাদীর আইনজীবী নারাজি দেয়ার জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ১৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।
এদিন আমাতুল্লাহ বুশরা আদালতে হাজিরা দেন। তার পক্ষে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। বুশরার আইনজীবী এ. কে. এম হাবিবুর রহমান জানান, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ধার্য তারিখ পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি বুশরার অব্যাহতি চেয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার।
৯ জানুয়ারি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পূর্ব পর্যন্ত বুশরা জামিন পান। পরদিন কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত বছরের ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন ফারদিন। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। সেদিন ফারদিনের সঙ্গে ছিলেন বুশরা।
৫ নভেম্বর রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় আমাতুল্লাহ বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় ফারদিনের বাবা মামলা করেন।
মামলার পর গত ১০ নভেম্বর রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্তভার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর মাদকসংশ্লিষ্টতা, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে খুন, কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয় সামনে আসে।
সর্বশেষ তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবি ও র্যাব জানায়, স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা আত্মহত্যা করেছেন ফারদিন। ডিবি পুলিশ জানায়, ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলে থাকা বুশরা নির্দোষ। এন.হুসেইন/জেসি


