# সরকারি ৬০ লাখ টাকা আত্মাসাত করার অভিযোগ
# তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে- এডি. এসপি ট্রাফিক
# উল্টাপাল্টা করে এখন আমার উপর দায় দিয়ে দিছে : সাজেন্ট শোভন
এমনিতেই নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিকের দুর্নামের শেষ নেই। বিভিন্ন সময় ট্রাফিক পুলিশের অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা ধরণের চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। আইনের রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে আইনের চোখ ফাঁকি দেয় তখন মানুষের জীবন হয়ে পড়ে দুর্বিসহ।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের (টিআই) এর নামে রয়েছে নানা ধরনের অভিযোগ। তেমনি একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট এর নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক অফিসে প্রসিকিউশন শাখায় দায়িত্বরত থেকে, বভিন্ন ধরনের যানবাহনের, ৮০০/৯০০ মামলার জরিমানার প্রায় নগদ ৬০ লাখ টাকা নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজের ব্যাংক হেফাজতে রেখে দিয়েছে। সেই ট্রাফিক সার্জেন্টের নাম শফিউল আজম শোভন।
সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন যানবাহনের মামলায় জরিমানার ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগের সূত্র ধরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এর নির্দেশে ডিবি পুলিশ গত ৩০/১/২০২৩ ইং তারিখে অভিযুক্ত সার্জেন্ট শফিউল আজম শোভনকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এনে জোরালোভাবে জিজ্ঞসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সার্জেন্ট তার অপরাধের কথা স্বীকারও করেছেন। এবং পরে এক পর্যায়ে ৪/২/২০২৩ইং তারিখে ৬০ লাখ টাকা থেকে ১৬ লাখ টাকা ফিরিয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহান সরকার যুগের চিন্তাকে বলেন, বিষয়টি সত্য। এটার জন্য আমাদের তদন্ত চলছে। আমরা যাকে এটার সাথে জড়িত পাবো, তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আমরা সার্জেন্ট শোভনকে পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমাদের তদন্ত চলছে তদন্ত শেষ হলে বাকিটা বলা যাবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সার্জেন্ট শফিউল আজম শোভন যুগের চিন্তাকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে। আমাদের অফিসের এক পুলিশ কনস্টেবল জুয়েল, উল্টাপাল্টা করে এখন আমার উপর দায় দিয়ে দিয়েছে। আমি তো আমার পক্ষেই বলবো, আপনি অফিসের সকলের সাথে কথা হলে জানতে পারবেন আসলে কে দোষী।
এস.এ/জেসি


