সংকট কমেছে চাউলের দাম, রমজানে বাড়বে না ডিমের দামও
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৩, ০৯:০৫ পিএম
বহুদিন ধরেই নানা সংকটে ভরপুর বাজার। এক সংকটের পর আরেক সংকটের আবির্ভাব। তার মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি এটা আর নতুন কিছু নয়। বহুদিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে, দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে কেজিতে ৫ টাকা কমেছে চাউলের দাম। শুধু তাই নয় বরং নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ গুলোর প্রিয় খাবার ডিম। সেই ডিমের দাম আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছে, দ্রব্যমূল্যের দাম কিছুটা কমতির দিকে থাকলেও ব্যবসায়ে বেঁচাকেনা এখনো ফিরে আসেনি। রমজানে আশা করি দ্রব্যমূল্যের দাম এমনটাই থাকবে। দাম এমন থাকলে আমাদের বেচাকেনাও বাড়তে পারে।
মুদি দোকান ব্যবসায়ী রাজিব জানায়, আমাদের বাজারের বেশকিছু পণ্যের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবুও সেই কমতি দামও অধিক। মানুষের কাছে টাকা নেই যে তারা প্রতিনিয়ত বাজার করতে পারবে। তাই আমাদের ব্যবসায়েও তেমন কোন গতি নাই। সামনে শবে-ই-বরাত ও পবিত্র মাহে রমজান থাকায় আমরা কিছুটা আশার আলোর মুখ দেখার সম্ভাবনা আছে।
দিগু বাবুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা চিনি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। খোলা আটার কেজি ৬০ টাকা। প্যাকেট আটা ৬৫ টাকা, যা আগে কেজি ছিল ৭০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। দেশি মসুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দিল্লি সুপার মসুর ডাল ১৩৫-১৪০, বড় নেপালী মসুর ডাল ৯৫-১০০, ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১২০-১২৫ টাকা। বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকায়। লবণের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকায়।
চাউলের বাজারেও রয়েছে স্থিতিশীল, মোটা চালের চাহিদা বেশী থাকায় ও দামে কম হওয়ায় বিক্রির শীর্ষে আছে লতা, আটাশ ও স্বর্ণ চাউল। ১ সপ্তাহ আগে লতা চাউলি ছিলো ৬০ টাকা কেজি, এখন ৫৬টাকা। বাজারে স্বর্ণ চাউল বিক্রি হতো ৫০টাকা কেজি, এখন ৪৫টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় প্রতিটা চাউলের কেজিতে ৫টাকা করে কমেছে।
দিগু বাবুর বাজারে চাউল বিক্রেতা সানি ধর বলেন, বাজারে চাউলের দাম অনেক কমেছে। পাশাপাশি আমাদের বিক্রি ও অনেক কমের দিকে। সামনেই আসছে রমজান মাস, দাম কমার কারণে রমজানের বিক্রির পরিমান বাড়ার সম্ভাবনা আছে।
বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম একটু কমেছে। ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৩৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা। প্রতি হালিতে ডিমের দাম কমেছে ৪-৫টাকা।
ডিম বিক্রেতা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ফার্মের মুরগির ডিমের দাম একটু কমেছে। ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। অন্য ডিম আগের দামেই আছে। সামনে যেহেতু রমজান মাস ডিমের দাম আরও কমবে বলে আশা করি। তবে মধ্যবিত্তদের ডিমের চাহিদা বেশি থাকায় মোটামুটি বিক্রির বাজারও ভালো।
এস.এ/জেসি


