Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

পড়ে থেকেই নষ্ট হচ্ছে সিজেএম আদালত ভবন

Icon

এম সুলতান

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৩, ০১:৩৮ পিএম

পড়ে থেকেই নষ্ট হচ্ছে সিজেএম আদালত ভবন
Swapno


# সংশ্লিষ্ট সকলের অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার সম্পদ : এড. দিপু
# ভালো মানের একটি হাসপাতাল বানানো হোক : এড. মোহসিন মিয়া

 

শহরের প্রাণকেন্দ্রে নবনির্মিত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত ভবন নিয়ে চলছে অবহেলা। অযত্নে অবহেলা পড়ে থেকেই নষ্ট হচ্ছে সরকারি হাজার কোটি টাকার বানানো আইনজীবীদের জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন।

 

 

২০১২ সালে ১৫ মার্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ব্যারিস্টার শফিক আহামেদ তৎকালীন মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রাণালয় এবং মো. কামরুল ইসলাম এমপি, প্রতিমন্ত্রী আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রাণালয়। তার পরে ২০১৩ সালে কাজ শুরু হলে ২০১৬ সালে কাজ শেষ হয়। তারপর থেকেই প্রায় ৭ বছর ধরে পরে আছে শহরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন ।

 

 

যার প্রত্যেক তলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার মালামাল তাতে কোন খবর নেই জন প্রতিনিধিদের। ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের আগেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্যানেলের প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল দু’টি আদালত একই স্থানে রাখার বিষয়টি।

 

 

যে কারণে ভোটাররাও তাদের প্রতি সমর্থন দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে সতেরটি কার্যকরী পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩ পদেই জয়ী হয় সম্মিলিত পরিষদ। ২০১৬ সালের ১০ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদের নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি দু’টি আদালত ভবন একই স্থানে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

 

ওই সময়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের এ সমস্যার সমাধান করতে আমার উপর যত চাপই আসুক তা উপেক্ষা করে সমাধান করব। জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা প্রতিশ্রুতি দিলেও একই স্থানে থাকছেনা জেলা জজ আদালত ও চীফ জুডিশিয়াল আদালত ভবন। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন উদ্বোধনের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ থেকে একটি চিঠিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 

 

একই নির্দেশনার অনুলিপি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা গণপূর্ত বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের দেয়া হয়েছে। গত ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট হাইকোর্ট বিভাগর রেজিস্টার আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উদ্বোধনের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা জানানো হয়। তার পরেও আইজীবীদের কারনের সেটি আর উদ্বোধনের করা হয়নি।

 

 

এরপর থেকেই নারায়ণগঞ্জ চার আসনের এমপি শামীম ওসমান সরকারি তোরারাম কলেজসহ নানা স্থানে এ ভবন নিয়ে আলোচনা করেন যে এটাকে কি জন্য কাজে লাগানো যায় কখনো তিনি এটাকে তোলারাম কলেজ এর ছাত্রাবাস , কখনো হসপিটাল ,আবার কখনো নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন দফতরের এর কার্যালয় জন্য তবে ৭ বছরের কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে নেই নারায়ণগঞ্জ -৪আসনের এমপি শামীম ওসমান।  

 

 

এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটি সদস্য এডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু বলেন, এখানে অন্য যেকোন দপ্তর দিলে ভালো হয়। তবে সরকাওে কোটি কোটি টাকা নষ্ট করার কোন মানে হয় না।

 

 

এটার সাথে যারা জড়িত আছে তাদের সকলে গাফিলতির জন্য তো বড় একটি ভবন সেটা কোন কাজে আসছে না তবে আমি মনে করি এটাকে খুব তাড়াতাড়ি ভালো কোন কাজে ব্যবহার করার জন্য সবাইকে। এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মহাসিন মিয়া বলেন, আমরা আইজীবীরা কখনো সে ভবনে যাবো না কারণ এটা আমাদের বিরাট সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে তাই।

 

 

হাইকোর্ট যে কোন সময় নিম্ন আদালত থেকে নথি চাইতে পারে তাহলে সেটা দেওয়া সম্ভব হবে না। যদি সেটা দিতে হয় তাহলে আবার আড়াই কিলোমিটার রাস্তা আসতে হবে তাতে আদালতের ও আমাদের সকলের সময় নষ্ট হবে আমরা চাই এটাতে সরকারি অন্য যেকোন দপ্তর করা হোক বা শহরের মধ্যে একাট ভালো মানের হাসপাতাল করা হোক  যেটা আমাদের এমপি শামীম ওসমান চেষ্টা করছেন। এন. হুসেইন/ জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন