ডিপিডিসির মোহসিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৩, ০৬:৫৫ পিএম
# তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান ভুক্তভোগীরা
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (ডিপিডিসি) কোম্পানীর পরিচালক ফতুল্লার একাউন্ট অফিসার মোহসিন সরকারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ সহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে ডিপিডিসি ফতুল্লার বাৎসরিক আপদি টেন্ডারে গোপনে যোগসাজসে পাইয়ের দেয়ার প্রলভোন দেখিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদার কোম্পানির কাছে অর্থের সুবিদা নিয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন। এছাড়া বাৎসরিক আপদি টেন্ডারে ঠিকাদার কোম্পানি গুলো একই রেট দিলে তখন ঢাকার কোম্পানির মালিকরা তার সাথে যোগাযোগ করলে তখন তিনি তাদের টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে টেন্ডারে যারা বেশি রেট দিয়ে থাকে তারা কাজ পেয়ে থাকেন।
ঠিকাদার কোম্পানির লাইসেন্স ধারি একাধিক ব্যক্তি জানান, এখানে টেন্ডারের জন্য একাধিক ঠিকাদার কোম্পানি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন বাৎসরিক আপদি কাজের টেন্ডারের জন্য আবেদন করে থাকেন। প্রত্যেক আবেদন কোম্পানি অনলাইনে রেট দিয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে সকল আবেদন কোম্পানির রেট একই হয়ে যায়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যারা দক্ষ, পারদর্শী কাজের অভিজ্ঞতা ভালো তারা অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন বলে জানান একাধিক ব্যক্তি।
সূত্রমতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি ঠিকাদার কোম্পানির আবেদনকারী জানান, অনলাইনে আবেদন করার পর অনেকে তার আপডেট জানার জন্য একাউন্ট অফিসার মোহসিন সরকারের সাথে যোগাযোগ করে থাকেন। তখন তিনি স্থানীয় ঠিকাদার কোম্পানির মালিকদের বাদ দিয়ে ঢাকার ঠিকাদার আবেদন কারীদের তা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এতে করে অদক্ষ অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানি টেন্ডার পেয়ে যায়।
আর এই সকল অপমকর্ম মোহসিন সরকার তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফতুল্লা ডিপিডিসি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামাল হোসেনের নাম এবং প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে করে থাকেন। এছাড়া তিনি ফতুল্লা ডিপিডিসি ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ ডিপিডিসি উত্তর দক্ষিন ও শীতলক্ষ্যা জোন তিনিই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। তার কারণে অনেক যোগ্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ পায় না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই এই ধরনের অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন হয় বলে দাবী করেন স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। তাই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।
এবিষয়ে ফতুল্লা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (ডিপিডিসি) একাউন্ট অফিসার মোহসিন সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। কেননা টেন্ডারের কাজের আবেদন পেতে অনলাইনে আবেদন করা হয়। এই ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পাসওয়ার্ড আইডি তাদের কাছে। আমার দেখার তেমন কোন সুযোগ নেই।
ফতুল্লা ডিপিডিসি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, এই ধরনের অভিযোগ সঠিক না। আমার জানা মতে মোহসিন ভালোভাবে কাজ করে থাকেন। কিন্তু কে বা কারা কেন এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করে থাকেন।
এস.এ/জেসি


