ঈদ মানেই আনন্দ ঈদ মানেই খুশি। তাই ঈদকে কেন্দ্র করে সকলেই নতুন পোশাক কিনেন। তবে পবিত্র রমজানের দশ দিন শেষ হয়ে গেছে আর মাত্র কয়েকদিন পরই ঈদ-উল-ফিতর। দরজায় ঈদ কড়া নাড়লেও এখনো জমে উঠেনি ঈদ কেনাকাটা। শহর ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বিপনীতেই ক্রেতা শূন্য।
বিক্রেতাদের আসায় দোকান খুলে বসে আছেন ক্রেতারা তবে এখনো শপিংমলগুলো জমজমাট হয়ে উঠেনি যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। ঈদকে সামনে রেখে শপিংমলগুলোতে বাহারি রকমের পোশাক সাজিয়েছেন ক্রেতারা। কিন্ত রহমতের ১০ রোজা চলে যাওয়ার পরও বেচাকেনা সেভাবে শুরু হয়নি।
শহরের শপিংমল গুলোতে ঘুরে দেখা যায় হক প্লাজা, মাধবী প্লাজা, বর্ষন সুপার মার্কেট, সায়াম প্লাজা, শান্তনা, বেলি টাওয়ার, মেহেদী মার্ট, হকার্স মার্কেট, ফ্রেন্ডস মার্কেট, মার্ক টাওয়ার, জামান টাওয়ার, লুৎফা টাওয়ার, টোকিও প্লাজা, আলমাস টাওয়ার, জয়নাল প্লাজা, সমবায় মার্কেট, খাজা সুপার মার্কেট, টপ টেন এবং বড় বড় শপিংমলগুলো ক্রেতা শূন্য।
এ বিষয়ে হক প্লাজার মিঠু নামে এক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর তাদের ব্যবসা ঠিক মতো হচ্ছে না। গত বছর এমন সময় মার্কেট জমজমাট ছিল কিন্ত এ বছর রহততের ১০ রোজা পার হয়ে গেছে তবুও ক্রেতাদের সমাগম নেই। শুধু তাই নয় ১০,১২ রোজা চলে যাওয়র পর প্রতিদিন প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা বিক্রি হতো কিন্তু এবার দিনে ৪০ হাজার টাকার বিক্রি করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।
প্রায় ক্রেতা শূন্য শপিংমলগুলো। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে কেনাকাটার ও পছন্দের শীর্ষে থাকা এ মার্কেট বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভিড় দেখঅ যায় ব্যবসাও ভালো হয় এবার পুরো উল্টো ক্রেতাই দেখঅ যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে ইকবাল নামের এক ব্যবসায়ী যুগের চিন্তাকে জানায়, ব্যবসা অনেক মন্দ যাচ্ছে।
ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম এবং বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে না। পহেলা বৈশাখ ও ঈদকে সামনে রেখে বাহারি পোশাক দিয়ে সাজানো হয়েছে দোকান আর নতুন নতুন পোশাক তুলেছি কিন্তু ক্রেতা বেশি দেখছি না। লাখ লাখ টাকার পণ্য তুলেছি কিন্তু তেমন বিক্রি করতে পারছি না। এবারের মতো অন্যসময় এত খারাপ অবস্থা কখনোই হয়নি এবার পুরোই ফাঁকা হয়ে আছে শপিংমলগুলো। এন.হুসেইন/জেসি


