আমি ফারজানা আক্তার। জালকুড়ি, তালতলা ৯ নং ওয়ার্ড আজিজ মাস্টারের বাসায় ভাড়া থাকি। আমার স্বামীর নাম আরিফুল ইসলাম। বয়স ২৮ বছর। গ্রামের বাড়ি বগুড়ার কাহালু থানার কৃষপুর গ্রামে। আমার স্বামী পেশায় একজন অটোচালক। গত জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ আমার স্বামীর কিডনি নষ্টজনিত কারণ ধরা পরে শ্যামলী সি.কে.ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। তিনি বিগত ৪ মাস যাবৎ ভুগছেন।
প্রতি সপ্তাহে দুইটি ডায়ালায়সিস করতে হয়। এছাড়াও রয়েছে ঔষধ ইনজেকশন সহ অনেক খরচ। উনি আমার শাশুড়ির একমাত্র ছেলে। নিয়তির নির্মম পরিহাসে সে এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার চিকিৎসার জন্য ধার দেনা করে জমি বিক্রি করে এ পর্যন্ত ছয় লাখ টাকা শেষ। এখন খরচ করার মতো কোনো টাকাই আমাদের কাছে নেই। সব হারিয়ে এখন এত টাকার যোগান দেয়া আমার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের ১ বছরের একটি বাচ্চা রয়েছে প্রতি সপ্তাহে চিকিৎসাসহ সংসার চালানো আমার একার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। আর্থিক সমস্যার কারণে সময়মতো ডায়ালায়সিস করাও এখন সাধ্যের বাইরে।
সময়মতো ডায়ালাইসিস যদি না হয় তাহলে ওনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। আমি নিজে একটি কিডনি দিবো। খরচ হবে কিডনি প্রতিস্থাপন সহ আনুসাঙ্গিক প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। নির্দিষ্ট সময়ে যদি কিডনি প্রতিস্থাপন করা না যায় তাহলে তাকে বাঁচানো যাবে না। এমতাবস্থায় সমাজের যারা বিত্তবান রয়েছেন তাদের সহানুভূতি কামনা করছি। এছাড়াও যে যেভাবে পারেন আমার স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। আপনাদের সকলের সাহায্য দরকার। আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া আমি আমার স্বামীকে কোনোভাবেই বাঁচাতে পারবো না। আমাদের আর্থিক সহায়তা করার জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। আপনাদের সহযোগিতায় আমার স্বামী এবং আমার পরিবার নিয়ে নতুনভাবে বাঁচার আশা দেখতে পাবো। বিকাশ - ০১৬৩০ ৬২৫১৮১।
এস.এ/জেসি


