# বিক্রেতাদের মুখে হাসি, মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভীড়
ঈদের আর মাত্র কিছুদিন বাকি। এর মধ্যেই কেনাকাটা শেষ করতে মার্কেটে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ফুটপাত দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত বিপনিবিতান সব জায়গায় এখন প্রায় মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে। জামা কাপড়ের দাম কিছুটা বেশি হলেও মানুষ তাদের সাধ্যমতো পছন্দের জিনিসটি কেনার চেষ্টা করছেন। ভালো বেচাকেনা হাসি ফুটিয়েছে ব্যবসায়ীদের মুখে। বিক্রেতারা বলছেন এরই মধ্যে অনেকের অফিসে গত মাসের বেতন হয়ে গেছে।কেউ কেউ ঈদের বোনাস পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।
সব অফিসে বেতন বোনাস হয়ে গেলে ক্রেতার সমাগম আরো বাড়বে বলে আসাবাদী তারা। মানুষের সব চাহিদা পূরনে নারয়ণগঞ্জের কালিবাজার ফ্রেন্ডস মার্কেট ও চাষাড়া ফুটপাত জুড়ে বাহারি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন পোশাক ব্যবসায়ীরা। সেখানে জামা-কাপড় বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোজার প্রথমই ক্রেতা সমাগম কম ছিলো বলে ভেবেছিলাম এবার বেচাকেনা তেমন একটা জমবে না কিন্ত ১৫ রোজার পর থেকে বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে।
এবার ঈদে জামা-কাপড় ও শাড়ির দাম আগের মতোই আছে। তবে রমজানের প্রথম সপ্তাহে ক্রেতা সমাগম কমই তবে পরবর্তিতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। দম ফেলার মতো অবস্থা নাই। অথচ রোজা শুরুর পর খুব খারাপ কেটেছে। সবচেয়ে বেশি বিড় জমাচ্ছেন তরুনরা। করোনার পর গত বছর বেশি ডিজাইন ও কোয়ালিটির পোশাক বাজারে আনতে পারিনি। এবার অনেক বেশি পন্য নিয়ে এসেছি আমরা। তাই প্রত্যাশা একটু বেশিই।
ঈদের পোশাক কিনতে এসেছেন নাবিলা তিনি বলেন, এবার ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামে যাওয়ার আগে কিছু কেনাকাটার জন্য এসেছি। গতবারের তুলনায় এবার কাপড়ের দাম কিছুটা বাড়তি। ঈদের কেনাকাটা করতে আসা কাউসার যুগের চিন্তাকে জানায়, ঈদের কয়েকদিন আগে মার্কেটে ভিড় বেড়ে যায়। তাই স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে তাড়াতাড়ি করে কেনাকাটা করতে চলে এসেছি। আর ঈদে গ্রামে যাবো বলে আগেই কেনাকাটা সেরে ফেলছি।
এ বিষয়ে রুবেল নামের একজন বিক্রেতা বলেন, সকাল থেকে ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও দুপুরের পর তা বাড়তে থাকে। আর সন্ধ্যার সময়তো পুরো জমজমাট হয় মার্কেট। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে এবার ভালো বেচাকেনার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
এস.এ/জেসি


