# ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে কোলাহলমুখর নগর
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শেষ দিকে ঈদের আনন্দ পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করে নিতে ঈদের ছুটিতে নারায়ণগঞ্জের মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য অনেকেই আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে কোলাহলমুখর নগর।
নারায়ণগঞ্জের বাস টার্মিনাল গুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভির। সাধারনত এ ভিড় বাড়ে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর। তবে, এবার ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায় যাত্রিদের উপচেপড়া ভিড়। দৈনন্দিন ব্যস্ততা ভুলে ঈদ আনন্দ উদযাপন করতে কয়েক দিনের জন্য বাড়ি ফেরেন সবাই।
আবার অনেক পেশার মানুষ আছে যারা সাধারণত ঈদের ছুটিই খুব একটা পায় না। দেখা যায় এক ঈদে ছুটি পেলে আরেক ঈদে ছুটি পায় না এমন অবস্থা। সারা বছর পরিবার থেকে আলাদা থাকার পর ঈদেই তো কাছের মানুষদের কাছে যাওয়া হয়, আনন্দে কাটানো হয় কয়েকটা দিন।
এই ফেরা যেন শুধু বাড়ি ফেরা নয়, নিজেকেই ফিরে পাওয়া। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা দিপক ভেীমিক বলেন, আজকে বাসায় যাব। প্রায় ২মাস পর বাড়ি যাওয়া হচ্ছে। মা-বাবার সাথে ঈদ করা এ যেন পরম আনন্দ।
নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা দেশের অন্য জেলা থেকে আগত। যারা জীবিকার প্রয়োজনে এখানে এসেছেন তারাই এখন ছুটে যেতে চায় আপন ঠিকানায়।
বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন ইকবাল হোসেন, বাড়ি তার গোপালগঞ্জ। তাকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা জিঙ্গাসা করলে তিনি বলেন,মেয়ের জন্য একটা পুতুল কিনেছি। ওর পুতুলের প্রতি খুব শখ, তাই ঈদে বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে পুতুলটা দিলে ও খুব খুশি হবে। এ খুশিটা আমার মনের পরম শান্তি।
আব্দুল হান্নান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তিনি বলেন, বড় পরিবার আমাদের। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ।আমাদের সাত ভাই বোনের ছেলেমেয়েরা অনেকেই একে অন্যের সাথে সবসময় দেখা হয়না। আমি দেখেছি ঈদের সময় গিয়ে এরা সবাই মিলিত হয়। ঈদ আমাদের কাছে তাই একটি মিলনের উৎসব। এন.হুসেইন/জেসি


