Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

আবারো টালমাটাল শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৩, ০৮:২৯ পিএম

আবারো টালমাটাল শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা
Swapno

 


# শহরে অবাধে প্রবেশ করছে ব্যাটারি চালিত যান
# আবারো শুরু হয়েছে মান্থলী সিষ্টেমে শহরে অবৈধ প্রবেশ
# ঈদে পারলেও ঈদের পর কেনো পারেনি প্রশাসন প্রশ্ন নগরবাসীর

 

 

রমজান মাসকে কেন্দ্র করে শহরে নিরবিছিন্ন যান চলাচলের লক্ষে হার্ডলাইনে এসেছিলো জেলা ট্রাফিক বিভাগ। বিগত এই ১ মাসে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ছিলো যথেষ্ট তৎপর। কোনো ভাবেই প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি অবৈধ এ যান। তথ্যমতে, শহরে যে চাঁদাবাজ চক্র স্টিকার ব্যবহার করে শহরে এসব যান প্রবেশে বৈধতা দিতো। তারা ও ঐ ১ মাস মান্থলী নেওয়া বাধ্য হয়ে বন্ধ করেছে। এবং চালকদের আশ্বাস দিয়েছিলো ঈদের পর আবারো মান্থলীর বিনিময়ে শহরে প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা করবেন।

 

তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায় পুরো শহর প্রদক্ষিন করলেই। শহরের গুরুত্বপূর্ন সব জায়গায় ব্যাটারি চালিত গাড়িতে সয়লাব। এতে করে শহরের যানজট পরিস্থিতি  পুরোনো রূপে ফিরে এসেছে। একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তারা জানা যায় রমজান মাসে পুরো শহরে স্বস্তি বিরাজ করেছে। কোনো ইজিবাইক ছিলো না, যানজট ও ছিলো না। কিন্তু রমজান মাস পার হতেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে গোটা শহর। সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছে রমজান মাসে পারলেও কোনো রমজানের আগে কিংবা পরে ট্রাফিক সিস্টেমের এমন টালমাটাল অবস্থা।

 

তারা বলছে প্রশাসন চাইলেই এসব কঠোর হস্তে দমন করতে পারে। কিন্তু তারা চাঁদাবাজদের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে তাদের সহযোগী হয়ে কাজ করছে বিধায় এসব নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে একাধিক ব্যাটারি চালিত গাড়ির চালকদের সাথে প্রতিবেদক কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানায়, রমজানের ১ মাস মান্থলী বা মাসোহারা দিয়ে শহরে প্রবেশ একেবারে নিষিদ্ধ ছিলো। তখন চাঁদাবাজরা সকল ড্রাইভারদের ও গ্যারেজ মালিকদের নিজ উদ্যেগে বলে দিয়েছিলো রমজানে মাসোহারা বন্ধ থাকবে। তারা আরো জানায় ঈদের সকল স্টিকার আগের মতোই কার্যকর হবে।

 

চালকরা জানায়, এমন মাসোহারার সাথে যুক্ত সাংবাদিক, নামধারী কিছু নেতা ও প্রশাসনের কিছু দুষ্ট লোক। শহরে প্রবেশে কোনো প্রশাসন ও কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা বাধা দিলে তাদের সংশ্লিষ্ট চাঁদাবাজদের নাম কিংবা সিম্বল বললেই ছেড়ে দেওয়া হয়। যারা মাসোহারা দেয়না কেবল তাদের গাড়িই আটক করা হয় বলে জানায় তারা।

 

তবে কানাঘোষা আছে টিআই (এডমিন) করিম এর ইশারাতেই এসব হচ্ছে। কারন তিনি জেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। তার ইশারা ছাড়া দিনের পর দিন এমন স্টিকার চাঁদাবাজি সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সাম্প্রতিকালে তার সাথে আলাপচারিতায় উঠে আসে নানা তথ্য। তিনি স্টিকার দিয়ে মাসোহারা নেওয়া তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন পূর্বে এসব অপকর্ম আরো ব্যাপক আকারে হলেও বর্তমানে তারা এসব অপকর্মের নাগাল টেনে ধরতে সমর্থন হয়েছেন। তিনি আরোও বলেন যদি কোনো গাড়ি আটক করা হয় তাহলে মাঝে মাঝে কোনো সাংবাদিক ফোন করে ছেড়ে দিতে বলে। সাংবাদিকদের রিকোয়েস্ট না রেখে পারিনা।

 

যারা এসব স্টিকার কেলেংকারির সাথে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন কোনো চালক যদি এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সুধীজনরা বলছেন যেসব চালকরা মাসোহারা দিয়ে প্রবেশ করে শহরে তারা কেনই বা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে? এসব অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আইনের আওতায় আনতে পারলে এ সমস্যায় দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।তবে শহরবাসী তাকিয়ে আছে এসব সমস্যা কিভাবে মোকাবেলা করে ট্রাফিক বিভাগ সেদিকে।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন