Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রাসেল পার্কের পরিবেশ নষ্ট

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৩, ০১:০৫ পিএম

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রাসেল পার্কের পরিবেশ নষ্ট
Swapno

 

নারায়ণগঞ্জের মতো ব্যস্ত নগরীতে কয়েক বছর আগেও একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা ছিল না। ব্যস্ত নগরের ব্যস্ত মানুষ সারাদিনের কর্ম ব্যস্ততা শেষ করে একটু বিশ্রামের জন্য তেমন কোনো জায়গা ছিল না। বর্তমানে নগরের শেখ রাসেল পার্ক কে নগরীর অনতম বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গন্য করা হয়।

 

 

শহরের প্রান কেন্দ্র বলা যায় এই পার্কটিকে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে মানুষ ভির থাকে সবসময়। তবে এই দৃষ্টি নন্দন পার্ক টিকে বতমানে দেখলে মনে হবে যেন কোনো ব্যবসা কেন্দ্রের মূল বিন্দু। লেকের ওযাকওয়ের পাশে দোকান বসিয়ে লেকের সৌন্দর্য নষ্ট করা হচ্ছে।

 

 

লোকের পাশে এসব দোকান গুলোর রমরমা ব্যবসা করার তালে লেককে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে রাখার সমস্যা হচ্ছে। লেকের পাশে এসব দোকান গুলো কারণ ঠিক মতো স্বচ্ছন্দে হাটাও যায় না।

 


নারায়ণগগঞ্জ শেখ রাসেল পার্কে গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লেকে প্রতিদিনের মতোই মানুষের সমাগম। তবে বিকাল হতেই দোকানদার দের তো জোর শুরু হয়ে যায়। মানুষের ভির বাড়ার সাথে সাথে দোকানীদের কর্ম ব্যস্ততা বেড়ে যায়। খাবার খাওয়ার পর লোকজন ময়লা টিশু বা কাগজ নিদিষ্ট কোনো স্থানে না ফেলে  যেখানে সেখানে ফেলে লেকের পরিবেশ নষ্ট করছে।

 

 

অন্য দিকে দেখা যায় ওয়াকওয়ে দখল করে দোকানি রা কাস্টমারের বসার জন্য প্লাস্টিকের চেয়ার বা কাঠের টুল বসিয়ে রেখেছে যার ফলে মানুষের হাটা চলায় বিগ্ন ঘটছে এবয মানুষ ওয়াকওয়ে রেখে রাস্তা ব্যবহার করছে হাটার জন্য। আবার রাস্তার উপর ভ্যান বসিয়ে দোকন চালাচ্ছে ফলে রাস্তায় ও প্রায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।    

 

 
সারাদিনের অলস সময় পার করার পর একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে আসা আফজাল মিয়া বলেন, এখানে প্রায় দিন আসা হয়। বিকেল বেলা একটু ঘুরতে আসি এতে করে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। তবে বর্তমানে এখানের ফুটপাতের পাশ বসানো দোকান গুলোর জন্য স্বাচ্ছন্দে একটু হাটা চলা করা যায় না। যেদিন লোক সমাগম একটু বেশি থাকে সেদিন এখানে পা দেওয়ার মতো যায়গা থাকে না আবার মানুষ এসব দোকানে ভির করে অনেক খাবার খায় যার ফলে কাউকেই কিছু বলাও যায় না।

 


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার যুগের চিন্তাকে বলেন এখানে প্রতিটি দোকান ও টোং এর জন্য ভারা দেওয়া হয়। এখানে কেউ বিনা পয়সায় দোকান বসাতে পারে না।  মাসে মাসে এসব দোকান থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন অনেকেই। এসব কাজের সাথে কারা জরিত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে অনেক ক্ষমতাশালীলোক এসে টোং থেকে মাসে মাসে চাঁদা নেয়। হুমকি ধমকি দেখিয়ে এখানের অনেকেই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

 


পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা জনাব মো: ইলিয়াস বলেন  দোকনের পাশে তারা বেঞ্চ রেখে দেয়। আর যখন এখানে কাষ্টমার বসে  তখন এখান দিয়ে হাটাই যায় না। বিশেষ করে ছুটির দিনে মানুষের চাপে লেকে আশাই যায় না। তাও আসলে দোকন দার দের কারণে এখানে বসাও যায় না।  

 


এ বিষয় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তাও সাথে একাধীক বার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল টি রিসিভ করেন নি। এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন