মসলিন জনগণের হাতে তুলে দিতে পারলেই গবেষণা সফল হবে: মন্ত্রী গাজী
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৩, ০১:৩৪ পিএম
বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে জনগণের হাতে তুলে দিতে পারলেই ঢাকাই মসলিন পুনরুদ্ধারের গবেষণা সম্পূর্ণ সফল হবে। এ কথা বলেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্য মসলিন সুতা ও কাপড় পুনরুদ্ধার এবং এ খাতে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শিরোনামের সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, এক সময় এ দেশের তৈরি ঢাকাই মসলিনের সারা বিশ্বে কদর ছিল। বিভিন্ন কারণে প্রায় ১৭০ বছর আগে হারিয়ে যায়। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকাই মসলিন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বাস্তবায়িত প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্য ও বিশ্ববিখ্যাত ব্রান্ড ঢাকাই মসলিন পুনরুদ্ধার করে হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
‘মসলিন শাড়ি তৈরির প্রক্রিয়া বেশ জটিল ও শ্রমসাধ্য’ উল্লেখ করে গবেষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, শাড়ির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। আমাদের চেষ্টা থাকতে হবে, বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে মসলিনের স্বকীয়তা ঠিক রেখে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে এসে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। তবেই এ গবেষণা সম্পূর্ণ সফলতা পাবে।
সেমিনারে ‘ফিরে এলো ঢাকাই মসলিন’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এম মনজুর হোসেন এবং ‘ঢাকাই মসলিন পুনরুদ্ধার: একটি স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ আলিমুজ্জামান।
সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, বিজিএমইএ-র প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান, ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও মসলিন সুতা ও কাপড় পুনরুদ্ধারের গবেষণা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এন.হুসেইন রনী /জেসি


