নগর জুড়ে গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। প্রায় কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনের বেশির ভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়েও দেখা মিলছে না বিদ্যুতের। এতে তীব্র তাপ প্রবাহের কারনে নগরীতে চাহিদা বেড়েছে হাতের তৈরি হাতপাখার। এদিকে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়েছে পাইকারি এবং খুচরা বাজারে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিরবাজার ১নং গলিতে নানান জায়গার বেত,তালপাতার হাতপাখার ডালি সাজিয়ে বিক্রি করছেন খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। মান এবং জেলা ভেদে কম-বেশি দরে বিক্রি করছে তারা। যেখানে আগে বাশেঁর তৈরি হাত পাখা বিক্রি হতো ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অন্যদিকে তালপাতার তৈরি পাখা আগে বিক্রি হতো ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
এ বিষয়ে মাহমুদ নামের পাইকারি হাতপাখা ব্যবসায়ী যুগের চিন্তাকে বলেন, নরসিংন্দী থেকে ৯০ টাকা করে ১পিস তাহ পাখা কিনি কিন্তু পাইকারিতে বিক্রি ১০০ টাকা দরে। আবার খুচরা বিক্রি করি ১২০ টাকা করে কেননা খুরচায় আমাদের লাভ হয় না। এ বাজারে খুচরা বিক্রি করলে আমাদের পেট চলবে না। এখন গরম আছে বলে চাহিদা আছে আবার ২ দিন বৃষ্টি হলে আমাদের ব্যবসায় পুরো লস।
এ বিষয়ে ইব্রাহিম নামে খুচরা হাতপাখা বিক্রেতা বলেন, পিস প্রতি ৪৪ টাকা দিয়ে কিনেছি কাইক্কারটেক হাট থেকে এখন বিক্রি করছি ৫০ থেকে ৭০ টাকা দিয়ে। তীব্র গরম থাকায় হাত পাখার চাহিদাটা বেশি। যশোরের পাখার তুলনায় নথ-বেঙ্গলের তৈরি হাতপাখার চাহিদা বেশি এ কারনে নথ-বেঙ্গলেরটার দামও বেশি।
এ বিষয়ে আব্দুল নামের এক ক্রেতা বলেন, ঔষধ কোম্পানিতে কাজ করি সারাদিন বাহিরে বাহিরে থাকতে হয়। যে পরিমানে রোদের তাপ তাতে গরমে অবস্থা একেবারে নাজেহাল। এ জন্য ছোট দেখে একটা তালপাখা কিনতে এসেছিলাম কিন্তু চাহিদা বাড়ায় দোকানদাররা বেশি টাকা দাম বলছে। পাখা তেমন ভালো না কিন্তু তাও প্রতিটা পাখা ১০০ টাকার মতো দাম।
তার কথার সুর ধরে হাসান নামের অপর ব্যাক্তি বলেন, যে পাখা আগে ৩০-৪০ টাকা দিয়ে কিনেছি এখন গরম বেশি থাকার কারনে সেই পাখা কিনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা দিয়ে। এন.হুসেইন রনী /জেসি


