প্রচণ্ড গরমে হাসঁফাস অবস্থা সব বয়সী মানুষের। ইতিমধ্যে প্রখোর রোদ ও ভাপসা গরমে এমন অসহনীয় হয়ে উঠেছে যে প্রান যেন যায় যায় অবস্থা। তাই এই তাপপ্রবাহ থেকে সস্তি পেতে জৈষ্ঠের প্রচন্ড তাপদাহে বিভিন্ন শরবত ও কোমল পানির পাশাপাশি চাহিদা বেড়েছে তাল ও ডাবেরও।
প্রতিদিনিই তাপমাত্রা আরো অতিরিক্ত বাড়ছে, তাই রাত দিনের এই প্রচন্ড গরমে চাহিদা বাড়ছে শরবত ও ডাবের। রাস্তায় বের হলেই এখন বিভিন্ন্ শরবত বিক্রেতাদের দেখা মিলছে। অল্প সময়ের মধ্যে ভিড় জমে যাচ্ছে শরবত বিক্রেতাদের গাড়ির সামনে। কেউ বিক্রি করছেন লেবুর শরবত আবার কেউ আখের। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী ও রিকশাওয়ালাসহ নানান পেশার মানুষ ভির জমাচ্ছেন শরবত খেতে।
অন্যদিকে বাজারে ডাব ও তালের চাহিদাও যেমন বেড়ে উঠছে। যা দেহের পানিশুন্যতা অনেকটাই দূর করে। একটু সস্তি পেতে রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া রসালো এ ফলের স্বাদ নিচ্ছেন অনেকেই। তালের শাঁস বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা করে ও পুরো তাল বিক্রি করছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায়।
ফুটপাতে এক ডাব বিক্রেতা সুমন জানান, তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বেড়েছে, বেচাকেনাও আগের তুলনায় ভালো হচ্ছে। মাঝারি ডাব বিক্রি করছি ১০০ টাকায়, ও বড় ডাব ১২০ টাকায় বিক্রি করছি। ডাবের দাম বেশি হলেও অনেকটাই নিরাপদ জেনে ডাব কিনছেন তারা। তবে এখানে নিম্ন মধ্যবিত্তের চাইতে বিত্তবান ক্রেতাদের সংখ্যাই বেশি।
বিকেল থেকে সন্ধার পরপরই বেশ কেনাবেচা চলে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায, বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট আখমারাই মেশিনের আশোশে মানুষের ভির। প্রতি গ্লাস আখের রস ২০ টাকা, বিক্রিও হচ্ছে অনেক। আখের শরবত বিক্রেতা মিনহাজ বলেন, এবার প্রচুর তাপদাহে তৃর্ষ্ণাত মানুষজন যেমন ভির জমাচ্ছেন তেমন লাভও প্রায় বেশি হচ্ছে।
রস কিনতে আসা জাহিদুল বলেন, এখনগরমে যতদিন যায় ততই তৃষ্ণা বাড়ছেই। তাই আখের শরবত কিরতে এসছি পরিবারের সবার জন্য। এটা যেমন শরীরের ক্লান্তি দুর করে তেমনিই শরীর ও মন ভালো রাখে। আর গ্রীষ্মের গরমে কচি তালের রসালো শাঁস সবাইকেই তৃপ্তি দেয়। তাই ভাবছি য়াওয়ার সময় তালের শাঁসও কিনে নিয়ে যাব।
নারায়ণগঞ্জ কলেজের এক শিক্ষার্থী সুমন বলেন, রোদে সাইকেল চালিয়ে এসেছি, বেশ ক্লান্ত লাগছে। তাই চলন্ত পথে তৃষ্ণা মেটাতে একটু সস্তির জন্য আখের রস খেতে আসলাম। এন.হুসেইন রনী /জেসি


