ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়ার বিধিমালা বাতিল ও কর ভবনে বসার স্পেস
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৩, ০২:৫৮ পিএম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কর্তৃক প্রস্তাবিত ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়ার (টিআরপি) বিধিমালা বাতিল ও ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিসনার (আইটিপি) নিয়োগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে কর আইনজীবীদের জন্য জায়গা (বসার স্পেস) বরাদ্দের দাবিতে বুধবার ৭ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ননী গোপাল দাস। সঞ্চালনায় ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এ বি সিদ্দিক, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক খান, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল জলিল দেওয়ান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ বাবুল, সহসভাপতি মালিক সোহেল সারোয়ার, অ্যাডভোকেট এস এস এ মনির, মোহাম্মদ আলী খান জিন্নাহ, অমর চন্দ্র সাহা, নাজমুল হক শামীম, প্রনব কুমার রায়, মোহাম্মদ রাকিব হোসেন, বোরহান উদ্দিন ভূইয়া প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, "আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪” এর ধারা ১৭৪ (২) এফ এর প্রোভাইসো ২০০৬ সালে আইন আকারে আনা হয়।
যা আয়কর অঙ্গনে সকল প্রকার জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা আনয়নে সকল মহলেই প্রশংসিত হয়েছে। ইতিমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এন.বি.আর) ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়ার (টিআরপি) নামে একটি বিধিমালা প্রাক-প্রকাশ গেজেট প্রকাশিত হয় যা কার্যকর হলে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৭৪ (২) (এফ) এর সাথে সাংঘর্ষিক হবে যা বাস্তবায়িত হলে দেশ ও জাতি তথা রাজস্ব বৃদ্ধিতে কোনরূপ সহায়ক হবে না বরং ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনায় এই বিষয়ে সারা বাংলাদেশে প্রায় অর্ধলক্ষ আয়কর আইনজীবী এই প্রস্তাবটি বাতিলের জন্য মানবন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
যা আয়কর আদায়ে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। এই প্রস্তাবিত কালো আইন কার্যকর হলে আয়কর অঞ্চলে দুর্নীতি ও অবৈধ প্রতিনিধিত্ব বাড়বে, যা দেশের রাজস্ব আদায় ও বৃদ্ধিতে অন্তরায় হবে। এমতাবস্থায়, যেহেতু দেশের অর্ধলক্ষ আয়কর আইনজীবী সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে তাই তাঁদের দ্বারাই করজাল বাড়ানোর জন্য এবং উক্ত প্রস্তাবিত ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়ার (টিআরপি) বিধিমালাটি কার্যকর না করে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৭৪ (২) (এফ) এর অধীনে ইনকাম ট্যাক্স প্রাকটিশনার (আই.টি.পি) বৃদ্ধি করার জন্য প্রস্তাব করছি।
এছাড়া বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন হচ্ছে সারা বাংলাদেশের কর আইনজীবীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন। সারা বাংলাদেশে আয়কর আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। পৃথিবীর প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে যেখানে বেঞ্চ আছে, সেখানে বার থাকবে কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এন.বি.আর) ভবনে ট্যাক্সেস আপীলাত ট্রাইব্যুনাল, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজ্ন্সে সেল, কর পরিদর্শন পরিদপ্তর, কর আপীল অঞ্চল সমূহ।
বৃহৎ করদাতা ইউনিট, কেন্দ্রীয় কর জরীপ অঞ্চল থাকা সত্ত্বেও আইনজীবীদের জন্য কোন জায়গা/ স্পেস বরাদ্দ রাখা হয়নি, এটা দেশ তথা জাতির জন্য দুঃখজনক। এমতাবস্থায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এন.বি.আর) এর জন্য বরাদ্দকৃত ১.৮৮ একর জমি হতে কর আইনজীবীদের বার ও বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন এর অফিস ভবন নির্মানের লক্ষে ১ বিঘা জমি বরাদ্দের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। এন. হুসেইন রনী/ জেসি


