Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

সপ্তাহের ব্যবধানে রিচার্জেবল জিনিসের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

Icon

তানজিলা তিন্নি

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৩, ০১:৩৭ পিএম

সপ্তাহের ব্যবধানে রিচার্জেবল জিনিসের দাম বেড়ে দ্বিগুণ
Swapno



প্রখরতাপে কয়েকদিন ধরেই কষ্টে জীবন যাপন করছেন সাধানর মানুষ। তীব্র তাপদাহে লোডশেডিংয়ের পরিস্থিতি সংকটাপন্ন আকার ধারণ করেছে। তাই লোঙশেডিংয়ের  এই অস্বস্তিকর জীবনে একটু স্বস্তি জন্য নানা ধরনের বিকল্প উপায় অবলম্বন করছেন সাধারণ মানুষ।

 

 

বর্তমানে ঘন ঘন লোডশেডিং ফলে ইলেকট্রনিক্স বাজারে  রির্চাজেবল ফ্যান, লাইট, এসি ডিসি লাইট, সোলার ও আইপিএস এর চাহিদা আগের তুলোনায় অনেক গুন বেড়েছে। দেশের বিদুৎ সংকট কালে বিভিন্ন রির্চাজেবল জিনিস ব্যবহার করছেন বর্তমানে অনেকেই। তাদের মতে না পাড়তে লোডশেডিং এর হাত থেকে জীবন যাত্রা স্বাভাবিক করায় এসব পন্যের দিকে ঝুকছে মানুষ।

 

 

অন্য দিকে চাহিদা বাড়ায় এসব আমদানিকৃত রিচাজেবল জিনিসের দাম পাল্লা দিয়ে দ্বিগুন করেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এসব জিনিস কিনতে হিমশিম খাছেন সাধারন মানুষ। কিনতে এসে দাম শুনে অনেক ক্রেতাই ফিরে যাচ্ছেন না কিনে। এবিষয় ব্যবসায়ীদের মতামত, তাদের যেখান থেকে এসব পন্য কিনে অনতে হয় সেখানে এসব জিনিসের দাম আগের থেকে অনেক বেড়েছে।

 

 

আর আমদানিকৃত এই এই সব জিনিস যখন বাংলাদেশে আসে তখন কেউ বুঝতে পারে নি যে গরমের প্রভাব টা এতো বেশি পরবে। যার কারণে এখানে গরমের প্রভাবে এসব জিনিসের চাহিদা বাড়ায় একটু সংকট দেখাচ্ছে। যার ফলে দাম ও একটু বাড়তি। নারায়ণগঞ্জ ডিআইটি ইলেকট্রনিক্স মার্কেটে ছোট বোনের জন্য ফ্যান কিনতে আসা সাঈফ বলেন, রাতে ঘুমাতে কষ্ট হয়।

 

 

আর মাঝে মাঝে এখন প্রাই কারেন্ট চলে যায় বাসায় বোনো পড়া লেখায় সমস্যা হয় আর সে গরমের জন্য পড়তে চায় না তাই একটা ছোট ফ্যান নিতে এসেছি। তবে বর্তমানে মার্কেটে এসে দেখি দাম আগের তুলোনায় অনেক বেশি কয়েকদিন আগেও যেই ফ্যানের দাম ৫০০-৭০০ করে ছিলো তা সপ্তাহের ব্যবধানে এখন ২৫০০ করে বিক্রি করা হচ্ছে। এটা তো বিক্রেতারা ঠেকিয়ে টাকা নিচ্ছে।

 

 

বাজারে এসিডিসি লাইট কিনতে আসা হালিমা বেগম যুগের চিন্তাকে বলেন, দিনের কথা আলাদা তবে রাতের বেলায় বাসায় বিদুৎ না থাকলে অন্ধকার থাকতে হয়। তার জন্য লাইট কিনতে এসেছিলাম। তবে এসে দেখি আগের থেকে প্রতি লাইটে ৮০ থেকে ১০০ টাকা করে দাম বাড়তি। ব্যবসায়ীরা মানুষের চাহিদা বুঝে এসসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

 

 

ডিআইটি মাকের্টের হক ইলেকট্রনিক্স এর একজন কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আমাদের যেখান থেকে জিনিস কিনে আনে সেখানে এসব জিনিসের অনেক দাম আর আমরা বেশি দামে কিনে এনে তো আর কম দামে বিক্রি করতে পারবো না। একসপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি রির্চাজেবল জিনিসের দাম আগের থেকে দ্বিগুন বেড়েছে। আর আমরা চাহিদা অনুযায়ী জিনিস পাচ্ছিনা ।   এন. হুসেইন রনী/ জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন