চার্জার ফ্যানে আগুন লেগে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৩, ১১:৩২ এএম
ফতুল্লার কাশিপুরে চার্জার ফ্যানে আগুন লেগে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন, মো. আব্দুস সালাম মন্ডল (৫০), বুলবুলি বেগম (৪০), সোনিয়া আক্তার (২৭), টুটুল (২৫) ও মেহজাবিন (৭)।
সোহাগ নামে একজন তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, চার্জার ফ্যানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন তারা। তাদের প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. মো. তরিকুল ইসলাম জানান, ফতুল্লার কাশিপুর এলাকায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে সোনিয়া আক্তারের শরীরের ৪২ শতাংশ পুড়ে গেছে, আব্দুস সালামের ৭০ শতাংশ, বুলবুলির ২৫ শতাংশ, টুটুলের ৬০ শতাংশ ও মেহজাবিন নামে এক শিশুর ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।
বাড়ির মালিক সেলিনা বেগম জানান, সকালে বিকট শব্দ পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখেন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে রাতে ঘুমানো আগে মশার কয়েল জ্বালিয়ে চার্জার ফ্যানের সাথে রেখে ঘুমিয়ে পড়ছিলেন তারা। সেখান থেকেই বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে, এবং দগ্ধ হয়েছেন তারা। তাদের আমরা শেখ হাসিনা বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখন চিকিৎসাধীন আছে।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহসীন বলেন, একই ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন পরিবারের পাঁচজন সদস্য৷ রাতে ফ্যান বৈদ্যুতিক সংযোগের সঙ্গে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহে চার্জার ফ্যানে আগুন ধরে যায়। সেখান থেকে বিছানায় আগুন লেগে গেলে দগ্ধ হন তারা। এন. হুসেইন রনী/ জেসি


