Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

ভিক্ষুকদের তালিকা দিতে কাউন্সিলরদের অনীহা

Icon

নুরুন নাহার নিরু

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৩, ১০:৫৬ পিএম

ভিক্ষুকদের তালিকা দিতে কাউন্সিলরদের অনীহা
Swapno

 

# বিপাকে সমাজসেবা কর্মকর্তা, সময়মতো কেউ তালিকা জমা দেননি

 

 

দেশের দ্রব্যমূল্য কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধ্যের বাহিরে চলে গেছে মধ্য ও নিম্নবিত্তদের। তাই দেশে অধিক তুলনায় বেড়েছে ভিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা। রাস্তার অলিতে-গলিতে দেখা মেলে হরহামেশা তাদের। কিছু বলার আগেই খাবারের ও চিকিৎসা করানোর নামে দাবি করে ৫ থেকে ১০ টাকা।

 

এছাড়া অনেকেই রয়েছে যারা বিভিন্ন ডাক্তারের রিপোর্ট দেখিয়ে ঔষধ কিনার জন্য টাকা চেয়ে বসে। বর্তমানে অনেকের কাছে ভিক্ষাটা পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবার অনেকে পেটের চাহিদার তাগিদে বেছে নিয়েছে ভিক্ষাভিত্তিকে।

 

এ জন্য তাদের কথা চিন্তা করে সরকার সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জ সদরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নতুন প্রকল্প শুরু করেছেন ভিক্ষাভিক্তি। প্রায় ৯ থেকে ১০ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জ সদরে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করে আসছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। এ অধিদপ্তরে ভাতা থেকে প্রতিবন্ধীদেরও বিভিন্ন সেবা প্রদান কারা হয়।

 

জানা যায়, এ ভিক্ষাভিত্তি প্রকল্পটির উদ্দেশ্য যারা নিম্নবিত্ত শ্রেনির কিংবা ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদেরকে ব্যবসায়িক হিসেবে গড়ে তোলা। যাতে সমাজে ভিক্ষাভিত্তির হার কমে আসে।    

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ শহর সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্মকর্তা এ.কে.এম, সাইফুল ইসলাম যুগের চিন্তাকে বলেন, তাদেরকে আমি যে সময় অনুযায়ী তালিকা জমা দিতে বলেছিলাম তার মধ্যে কয়েকজন কাউন্সিলর তালিকা দিয়েছে কিন্তু অনেকে সে সময় অনুযায়ী তালিকা জমা দিতে পারেননি।  

 

এ বিষয়ে ১০ থেকে ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের মধ্যে ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. অহিদুল ইসলাম এবং ১৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আব্দুল করিম এ ভিক্ষাভিত্তির তালিকা সম্পর্কে জানেন না। তাদের এ রকমের কোনো চিঠি কিংবা কোনো খবর দেওয়া হয়নি বলে জানান তারা।

 

অন্যদিকের ১৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিত বরন বিশ্বাস এর সাথে মুঠোফোনে অধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোনকলটি রিসিভ করেননি।

 

এছাড়া ১৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সময় মতো আমার ওয়ার্ডের ভিক্ষুকদের তালিকা তৈরি করতে না পারায় আমি তাদেরকে তালিকাটি দিতে পারিনি। ১০নং, ১২নং, ও ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরা তালিকা জমা দিয়েছেন। এবং ১৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রিয়াদ হাসান বলেন, আমি এতো দিন এ বিষয় সর্ম্পকে জানতাম না গতকাল রাতে ১২ টা ম্যাসেজ করা হয়েছে।

 

একই বিষয়ে ১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. কামরুল হাসান মুন্না ক্ষিপ্ত হয়ে যুগের চিন্তাকে বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাথে আমার কি বিষয়ে কথা হয় না হয় সে সর্ম্পকে আপনাকে বলতে আমি বাধ্য নই।  এস.এ/জেসি

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন