‘জায়েদ খান’ নারায়ণগঞ্জে, হাটে উঠবে শিগগিরই
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৩, ০৮:৫৮ পিএম
আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠছে কোরবানির পশুর বিকিকিনি। প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রেতারা তাদের বিশাল আকৃতির পশু বিক্রির জন্য অভিনব সব কৌশল নিচ্ছেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে বিক্রেতারা তাদের পশুর বিভিন্ন বাহারি ও আকর্ষণীয় নাম রাখছেন।
এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় এসেছে “জায়েদ খান” ও “পাঠান” নামের দুটি বিশাল আকৃতির গরু। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডা গোদনাইল এলাকার আর কে এগ্রো ফার্মে বেড়ে উঠেছে “জায়েদ খান” ও “পাঠান”।
আড়াই বছর বয়সের শাহীওয়াল জাতের ২০ মণ ওজনের “পাঠান”র দাম হাঁকা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। লাল-কালো রঙের গরুটি লম্বায় ১০ ফুট ও উচ্চতায় পাঁচ ফুট। সিন্ধি জাতের ১৮ মণের “জায়েদ খান”র দাম হাঁকা হয়েছে আট লাখ টাকা। লাল-কালো রঙের গরুটি লম্বায় ১০ ফুট ও উচ্চতা পাঁচ ফুট।
গরু দুটি দেখতে খামারটিতে প্রতিদিন শতশত ক্রেতা-দর্শনার্থী ভিড় করছেন। অনেকেই আবার ছবি তুলছেন কিংবা ভিডিও ধারণ করছেন।
গরু দুটির এমন নামকরণের বিষয়ে আর কে এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার মো. আব্দুস সামাদ বলেন, “আমরা আদর করে যে গরুটির নাম পাঠান রেখেছি, তখন পাঠান ছবি মুক্তি পেয়েছিল। গরুটির গঠন অনেকটা পাঠানের মতো। এছাড়া পাঠান বলে ডাক দিলে গরুটি সাড়া দেয়।”
তিনি আরও বলেন, “যখন পাঠান ছবি মুক্তি পায় তখন জায়েদ খান ওই সিনেমা নিয়ে কথা বলে বেশ আলোচনায় আসেন। এই দুটি গরুকে যখন পাশাপাশি রাখা হতো তখন একটি আরেকটিকে গুঁতো দিতো। তাই চিন্তা করলাম, এই গরুর নাম জায়েদ খানই রেখে দিই। এটি এখন জায়েদ খান নামেই ফার্মে ব্যাপক পরিচিত।” এন.হুসেইন রনী /জেসি


