Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

‘ডা. মির্জা এ.সোবহান আমাদের সকলের মাঝে বেঁচে থাকবেন’

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৩, ০২:৩০ পিএম

‘ডা. মির্জা এ.সোবহান আমাদের সকলের মাঝে বেঁচে থাকবেন’
Swapno



বিক্রমপুর জনপদের কৃতি সন্তান, ষাটের দশকের তুখোর ছাত্রনেতা ও নারায়ণগঞ্জ তথা দেশের প্রখাত চিকিৎসক,  ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক সংগ্রামী ভিপি, দেশ বরেণ্য সমাজ সেবক মরহুম ডা. মির্জা এ.সোবহান এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজ বাসভবনে ( উত্তর চাষাঢ়া, মির্জা বাড়ী) গতকাল ২৩ জুন বিকেলে ডা. মির্জা এ.সোবহান ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

 

 

 স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর এর কর কমিশনার শাহীন আক্তার হোসেন।  এছাড়া আয়োজনের সভাপতিত্ব করেছেন,ডা. মির্জা এ.সোবহান ফাউন্ডেশেনের সভাপতি ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরী। এছাড়া স্মরণসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা. বি.আই.এম নূরন্নবী, অ্যাডভোকেট জহির, ডা. আশীষ, ডা. সালেহা আক্তার, ডা. মুন্নী, কাজী মোশারফ, শাহীন মির্জা, অ্যাডভোকেট স্বপন, অ্যাডভোকেট মনির, ইসতিয়াক মির্জা, ডা. মির্জা এ.সোবহান মির্জার বড় মেয়ে শাহনাজ মির্জা।  

 


ডা. মির্জা সোবহান এর স্মরণে স্বাগত বক্তব্যে তার ছেলে ডা. মির্জা এ.সোবহান ফাউন্ডেশন এর মহাসচিব মির্জা আশিক রানা বলেন,  সবাই কে জানতে হবে যে ডা. মির্জা সোবহান কিভাবে, কষ্ট করে নারায়ণগঞ্জকে গড়ে তুলেছেন। ডা. মির্জা সোবহান একজন চেতনার নাম, একজন বিস্ফোরণের নাম, একটি আকর্ষিক চরিত্রের নাম।

 

 

ডা. জাফর চাচা বলে গেছেন নারায়ণগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের এক মাত্র ঠিকানা হচ্ছে ডা. সোবহান। এছাড়া বাবা অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন। এ সমাজের যে একে অপরের সহযোগিতা করার বিষয়টা এটা আমার আব্বারা গড়ে তুলেছেন । মুক্তিযুদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ রোগীকে চিকিৎসা করেছেন তারা। তারা ছিলেন গরীবের মানুষের ডাক্তার। আমার বাবার কষ্টে করা এই বাড়িকে আমি এখনও ধরে রেখেছি। আমি বলেছি এ বাড়িকে তোমরা ভোগ করো কিন্তু কোনো বাণিজ্যির লাভ করার চেষ্টা করো না।

 


ডা. মির্জা এ. সোবহান ফাউন্ডেশেনের সভাপতি ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরী স্মৃতিচারণ করে বলেন , নারায়ণগঞ্জে যে হাতেগোনা মানুষ আছে যাদেরকে সবাই সম্মান করেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন ডাক্তার মির্জা এ. সোবহান। মির্জা পরিবার এমন একটি উদাহরণ আমাদের মাঝে, যে পরিবারের প্রধান ব্যাক্তির মৃত্যুর পরে সাবাই একত্রিত থাকতে পারে।

 

 

শহরের বাড়িতে এতখানি জায়গা ছেড়ে  দেওয়া চাট্টি খানি কথা নয়। কারণ আশিক রানা এমন একজন ব্যাক্তি যিনি বাবার স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বাবার তৈরি বাড়িটি রেখে দিয়েছেন। একটা কথা বলে শেষ করবো, চীনের সাথে যেই সম্পর্ক বাংলাদেশের তার স্থাপনের কারিগর ছিলেন আমাদের এই সোবহান ভাই।

 

 

মির্জা ফাউন্ডেশন আছে, তার যেন সঠিক বাস্তবায়ন আমরা করতে পারি। এই ফাউন্ডেশন দিয়ে যেন আমরা সমাজের লোকের পাশে দাঁড়াতে পারি। তাছাড়াও মানুষের সেবা করে আমরাও সোবহান ভাইয়ের মতো সকলের মাঝে বেঁচে থাকবো।

 


ডা. আশীষ বলেন, আমার বাবা আর মির্জা স্যার দেখতে অবিকল। যখন আমার বাবার কথা মনে করি তখনই স্যারের কথা স্মরণে আসে। আমরা স্যারের জন্য দোয়া ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

 


ডা. সালেহা আক্তার বলেন, তিনি আমাদের গাইডলাইন দিতো। সে চলে যাওয়াতে মনে হয় আমাদের মাথার উপর থেকে ছায়া চলে গেল। আপনার ছেলের জন্য আমি দোয়া করি, তারা যেনো আপনার মতো হয়। স্যারের চিকিৎসা অনেক ভালো ছিলো। তিনি এমন একজন লোক ছিলেন তাতে আমরা গর্ববোধ করি। এবং তার পরিবারের জন্য আমি শুভকামনা করি। মির্জা আশিক রানা স্যারের স্মৃতি ধরে আছেন এবং আল্লাহ যেন স্যারকে জান্নাত নসিব করে।

 


ডা. মির্জা সোবহান এর বড় কন্যা শাহনাজ মির্জা বলেন, আমার বাবা এমন একজন মানুষ ছিলেন তিনি মানুষকে এভাবে চিকিৎসা দিতেন, কেউ যদি চিকিৎসার বিনিময়ে টাকা দিতেন তিনি কখনোই সেই টাকা হাতে নিয়ে দেখতেন না। যে কে কী দিলো বা কতো দিলো সেটি কখনো দেখতেন না।

 

 

আমি আমার বাবার চেম্বারে গেলে দেখতাম। আমার বাবা অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি ছিলেন অনেক ভালো মানুষ। তিনি ছিলেন সকলের বন্ধু, মানবতার সেবক এমনকি তিনি তার জীবন বাজি রেখেও মানুষের সেবা করে যেতেন।  এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন