প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কাঁচপুরে কেক কাটা ও আলোচনা সভা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৩, ০৩:৩৩ পিএম
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গতকাল বিকেলে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় আয়োজিত কেক কাটা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি মোশারফ হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মেম্বার, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন স্তরের নারী পুরুষ।
আলোচনা সভায় মোশারফ হোসেন আরো বলেন, সোনারগাঁয়ের মানুষের একটাই দাবি, সেটা হলো আগামী জাতীয় নির্বাচনে এখানে তারা নৌকার প্রার্থী চায়। মানুষের সেই দাবির প্রেক্ষিতে নৌকা প্রতীক পাওয়ার জন্য আমি কাজ করছি। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসা চাই। আমি চাই আপনাদের সহযোগিতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা যেন আমাকে নৌকা প্রতীক দেয়।
আমি যদি নৌকা প্রতীক পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে স্মার্ট সোনারগাঁ এবং শিক্ষাবান্ধব সোনারগাঁ গড়তে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো। তিনি বলেন, সোনারগাঁয়ে অনেক প্রার্থী থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এটা নিয়মতান্ত্রিক এবং নিয়মের মধ্যেই পড়ে।
অনেক প্রার্থী আছে যারা আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান, তাতে কোন আপত্তি নেই। আসেন আমরা মিলে মিশে কাজ করি, আওয়ামী লীগের কথা বলি, উন্নয়নের কথা বলি, গণতন্ত্রের কথা বলি। আগামী নির্বাচনের জন্য মাঠে নেতাকর্মীদের সু—সংগঠিত করি। যাতে আগামী নির্বাচনে এই আসনটি সবার আগে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে পারি।
এদিকে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সভাস্থলে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। এসময় মিছিলে আসা নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের হাতে হাতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি মোশারফ হোসেনের ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন ছিলো।
এতে দেখা গেছে, সভায় আগত সোনারগাঁয়ের মানুষ আগামীতে মোশারফ চেয়ারম্যানকে সোনারগায়ের এমপি হিসেবে দেখতে চান। মোশারফকে নৌকা প্রতীক দেয়ার পক্ষে শ্লোগানও ধরেছিলেন মিছিলকারীরা। মিছিল শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দঘণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে কেক কাটা হয়। এন.হুসেইন রনী /জেসি


