Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

ঈদকে ঘিরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে মসলার

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৩, ০৫:৫০ পিএম

ঈদকে ঘিরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে মসলার
Swapno


মাত্র আর কয়েকদিনের অপেক্ষা দেখতে দেখতে চলে এসেছে ঈদ-ঊল-আজহা। চারদিকে কোরবানির পশু বিক্রির প্রস্তুতি। ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং ঈদ সামগ্রীর দাম। সে সুযোগে ব্যবসায়ীরা বেশি দরে বিক্রি করছে এসব পন্যে। পাইকারি বাজার থেকে শুরু করে খুচরা বাজারেও মসলার দাম বেশি।

 

 

নারায়ণগঞ্জ নিতাইগঞ্জের বৃহত্তম পাইকারি গরমমসলার দাম গত মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন বেড়েছে। অন্যদিকে বাজারে মসলার সরবরাহ ভালো হলেও বিক্রি অনেকটা কম বলে জানায় ব্যবসায়ীরা। সারাদেশে পাঁচ ধরনের মসলা সবচেয়ে বেশি ক্রয়-বিক্রয় হয়। যেমন, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, জিরা, গোলমরিচ। এসব মসলা সারা বছরই আমদানি নির্ভর। ঈদকে কেন্দ্র করে গত মাসের তুলোনায় জুন মাসে মসলার দাম বাড়তে শুরু করেছে।

 


নিতাইগঞ্জের পাইকারি মসলার বাজার ঘুরে জানা যায়, গত মাসে প্রতি কেজি কালো গোলমরিচ বিক্রি হয় ৬৫০ থেকে ৬৬০ টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে কালো গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা। সাদা গোলমরিচের প্রতি কেজি গত মাসে ছিলো ৯৮০ টাকা। বর্তমানে তা এখন ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

 

লবঙ্গ গত মাসে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা দরে। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা দরে। জিরা প্রতি কেজি বিক্রি হতো ৭৯০ থেকে ৮০০ টাকা, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। দারুচিনি প্রতি কেজি বিক্রি হতো ৩৯০ টাকা দরে। বর্তমানে তা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা করে। অন্যদিকে এসব মসলার দাম বৃদ্ধি পেলেও এলাচির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতিকেজি এলাচি বিক্রি হচ্ছে ১৩৪০ থেকে ২১০০ টাকা দরে।

 


এ বিষয়ে নিতাইগঞ্জের পাইকারি মসলা ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তিনি যুগের চিন্তাকে বলেন, বর্তমানে মসলার সরবরাহ অনেক ভালো। তবে সকল মসলার তুলনায় জিরা সরবরাহ কিছুটা কম। কেননা অন্যান্য মসলার চেয়ে জিরা দাম একটু বেশি। কিন্তু সরবরাহ ভালো হলে কি হবে ঈদ অনুযায়ী বিক্রি অনেক টাই কম। একেবারে নেই বললেই চলে। বর্তমানে দেশের যে পরিস্থিতি প্রায় সব কিছুরই দাম বেশি। এমন অবস্থায় মানুষ বাচার জন্য খাদ্য পন্য কিনবে নাকি মসলা।
 

 


এ বিষয়ে খুচরা মসলা ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ঈদের আর মাত্র ১ সপ্তাহ বাকি। সে অনুযায়ী বলতে হয় আমাদের এখনও বিক্রিই হয়নি। তাছাড়া আমরা তো খুচরা বিক্রি করি প্রায় ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম। এদিক থেকে বললেও আমাদের লাভ ও সামান্য। তবে আশা করছি চাদরাত কিংবা তার আগের দিন থেকে বিক্রি হবে।  এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন