Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

১৪ লাখে বিক্রি হলো ‘জায়েদ খান-পাঠান’

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৩, ০৫:০৪ পিএম

১৪ লাখে বিক্রি হলো ‘জায়েদ খান-পাঠান’
Swapno

 

অবশেষে ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলো নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডা গোদনাইল এলাকার আর কে এগ্রো ফার্মের বড় দুটি গরু জায়েদ খান ও পাঠান। বিষয়টি সোমবার (২৬ জুন) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন খামারটির ম্যানেজার মো. আব্দুস সামাদ। গতকাল রোববার (২৫ জুন) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বর্ণালী গ্রুপ অ্যান্ড লিমিটেডের মালিক মো. হারুন গরু দুটি কেনেন।

 

 

এ বিষয়ে আর কে এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার সামাদ বলেন, গতকাল রাতে বর্ণালী গ্রুপ অ্যান্ড লিমিটেডের মালিক মো. হারুন সর্বোচ্চ দামে গরু দুটি কিনে নেন। গরু দুটি বর্তমানে আমাদের খামারেই আছে। মঙ্গলবার সকালে গরুগুলোকে বর্ণালী গ্রুপে পাঠানো হবে।জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আক্তার জানান, নারায়ণগঞ্জে এবার এক লাখ পশু কোরবানি হতে পারে।

 

 

চাহিদার তুলনায় বেশি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের বিশেষায়িত খামার ছাড়াও সাধারণ খামার ও কৃষকরা বাড়িতে গবাদিপশু পালন করে কোরবানির জন্য তৈরি করেছেন। তবে বর্তমানে এগ্রো ফার্মগুলো ক্রেতাদের বেশি আকৃষ্ট করে। তাই এখন অনেকেই এই ফার্মগুলো থেকে কোরবানির জন্য গরু কেনেন।

 

 

ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে খামারটির বড় দুটি গরুর নাম রাখা হয় ‘পাঠান’ ও ‘জায়েদ খান’। আড়াই বছর বয়সের শাহীওয়াল জাতের ২০ মণ ওজনের পাঠানের দাম হাঁকা হয় ১০ লাখ টাকা। আর সিন্ধি জাতের ১৮ মণের জায়েদ খানের দাম হাঁকা হয় আট লাখ টাকা।গরু দুটির এমন নামকরণের বিষয়ে আর কে এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার সামাদ বলেন, আমরা আদর করে যে গরুটির নাম পাঠান রেখেছি, তখন পাঠান ছবি মুক্তি পেয়েছিল।

 

 

গরুটির গঠন অনেকটা পাঠানের মতো। এছাড়া পাঠান বলে ডাক দিলে গরুটি সাড়া দেয়।আর গরুর নাম জায়েদ খান রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, যখন পাঠান ছবি মুক্তি পায় তখন জায়েদ খান ওই সিনেমা নিয়ে কথা বলে বেশ আলোচনায় আসেন। এই দুটি গরুকে যখন পাশাপাশি রাখা হতো তখন একটি আরেকটিকে গুঁতো দিতো। তাই চিন্তা করলাম, এই গরুর নাম জায়েদ খানই রেখে দিই। এটি এখন জায়েদ খান নামেই ফার্মে ব্যাপক পরিচিত।    এন. হুসেইন রনী     /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন