বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে সবকিছুর দামই বাড়তির দিকে। কিছুদিন আগে বাজার ঘুরে দেখা যায় আটা ময়দা, চাল, ডাল, চিনি প্রায় সবছিুর দামই উর্দ্ধমূখী। কিন্তু হঠাৎ করেই গতকাল বাজার ঘুরে দেখা যায় চালের দাম বস্তায় প্রায় ২০০থেকে ৩০০ টাকার মতো কমেছে। সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার নিতাইগঞ্জে বাজরে গিয়ে দেখা যায় সুপার মিনিকেট চাউল প্রতিকেজি ৭০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে এবং বস্তা ৩৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা।
সুপার নাজির চাউল প্রতিকেজি ৬৬ টাকা করেও বস্তা প্রতি ৩৩০০ টাকা। সুপার লতা ৫০ টাকা কেজি ও বস্তা প্রতি ২৫০০ টাকা। কাটারী নাজির ৭০ টাকা করে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিবস্তা ৩৫০০ টাকা। মিনিকেট চাউল ৭৯ টাকা এবং প্রতিবস্তা ২৮০০ টাকা করে।
বাছাইলতা ৫৯ টাকা প্রতিকেজি এবং বস্তা ২৪০০ টাকা। পাইজাম চাউল প্রতিকেজি ৫১ টাকা কেজি ও ২৫০০ টাকা প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়াও স্বর্না চাল প্রতিকেজি ৫১ টাকা কওে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা এবং প্রতিটি বস্তা ২৫৬০ টাকা করে বিক্রি করছেন তারা।
এ বিষয়ে নিতাইগঞ্জ পাইকারি বাজারের হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদের পর থেকে প্রায় অনেকটাই দাম কমেছে চালের। ঈদের পর থেকে ঠিক আগের মতো বেচাকেনা নেই তাদের। হোসিয়ারী গার্মেন্টস বন্ধ হওয়ার পর থেকে ক্রেতার শূন্য প্রায়। এখন গ্রাম থেকে আস্তে আস্তে মানুষ শুরু করেছন শহরের দিকে।
এছাড়াও তিনি বলেন, আমাদের আড়তে পর্যাপ্ত পরিমান চাল মজুদ রয়েছে কিন্তু চালের দাম কমে যাওয়ায় এবং ক্রেতাশূন্য থাকায় কম লাভে আমাদের চাল বিক্রি করতে হবে। এ ব্যাপারে চাল ব্যবসায়ী আসাদের সাথে কথা বললে তিনি যুগের চিন্তাকে জানান, ঈদেও পর এখন ভাঙ্গা বাজার এ বাজারে চালের দাম কমবে ভাবিনি।
ভেবেছিলাম এখন বর্ষার মৌসুম কিছুদিন পর ক্ষেতে পানি উঠে যাবে এবং চালের দাম বেড়ে যাবে কিন্ত এখন প্রায় তার উল্টো হয়েছে। তাই অগ্রিম চাল মুজুদ করে আমাদের লাভ হয়নি এখন আমাদেও আরো কমদামে বিক্রি করতে হবে। মানুষ সব গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় দাম কমেতে শুরু করেছে চালের। তাই এখন আর কি করার সরকার নির্ধরিত দামেই আমদের চাল বিক্রি করতে হচ্ছে।এন.হুসেইন রনী /জেসি


