জমি দখল নিয়ে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে তুলকালাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৩, ০১:৫১ পিএম
# নিজের জমি দখল নিতে এসে শিক্ষার্থীদের গনধোলায়ের শিকার বরখাস্ত পুলিশ সদস্য
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুরে বিভিন্ন কর্মকান্ডে বরাবরই আলোচলা ও সমালোচনার মধ্যে পরে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় তার ব্যতিক্রম আজকেও ঘটেনি। জানা যায়, পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনের জায়গা পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি এই জমি নিয়ে একটি মামলাও করেছে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। তারা চায় এখানে আরেকটি বিল্ডিং করবে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে। তবে সমস্যার সৃষ্টি হয় তখনই যখন পাগরা উচ্চ বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা মিলে জায়গাটিতে একটি সাইনবোর্ড লাগায়।
সাইনবোর্ডটিতে লেখা এই জমির মালিক পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় মৌজা দেউলপাড়া দাগ নং ও এস এ ১১২৮ নং আর এস ১৯৬৫। তবে এই সাইনবোর্ডটি লাগানোর পরই বাধে বিপত্তি সাইনবোর্ড লগানোর কিছুক্ষন পর জায়গার জায়গার প্রকৃত মালিক সিরাজুল ইসলামের ছেলেরা এবং সিরাজুল ইসলামের কাছ কিনে ক্রয় সূত্রে মালিক পুলিশ সদস্য এমদাদ এসে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের লাগানো ব্যানার উগড়ে ফেলে।
তাদের এমন ঘটনায় পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয় এবং সেই পুলিশ সদস্য শিক্ষার্থীদের গনধোলায়ের শিকার হয়। পরবর্তীতে সেই পুলিশ সদস্যকে সেভ করে স্কুলের শিক্ষক ও কমিটির সদস্যরা। শুধু তাই নয় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা মিছিল ও ¯েøাগান দিতে থাকে এবং সেই পুলিশ সদস্য শাস্তি দাবি করে।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই পুলিশ সদস্য আরও কয়েক মাস আগেই শ্যামপুর থানা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্ত সে তার জমি দখলে নিতে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়েই এখানে এসে যামেলায় পড়ে। এসময় সেই পুলিশ সদস্য ৯৯৯ ফোন করলে ফতুল্লা থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে ।
এসময় সেই বরখাস্ত পুলিশ সদস্য দাবি করে আমি এই জমিটা সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে বেশ কয়েকবছর আগে কিনেছিলাম। আমার কাগজ পত্র সব কিছু সঠিক আছে। আমি আমার জায়গায় এসে দেখি আমার জমিতে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে।
তারপর আমি এই সাইনবোর্ডটি খুলতে গেলে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমরা ওপর হামলা করে পরবতর্েিত আমি ৯৯৯ ফোন করে প্রশাসনের সহযোগীতা নেই। তবে জমিতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দখল করার কথা অস্বীকার করে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ব্রেজেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের এই এই জমিটা নিতে চাই।
এই জমির মালিকের সাথে বাব বার যোগযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা এর কোন রকম সাড়া দেয়নি। আর এই জমি নিয়ে আমরা একটা মামলাও করেছি কিন্ত তারা এসে আমাদের লাগানো সাইনবোর্ডটি তুলে ফেলে এবং এতেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয় এবং সেই পুলিশ সদস্যকে ঘেড়াও করে আমরা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেই পুলিশ সদস্য উদ্ধার করে সেভে নিয়ে আসি।
তবে আমাদের একটাই কথা এই জমিটা আমরা ন্যায্য মূল্যে জমিটা নিতে চাই কারন বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য এই জমিটা খুবই প্রয়োজন। তবে ঘটনা সূত্রে আরও জানা যায়, পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ অনেকটা জোরপূর্বক ভাবে অন্যের জমি দখলের পায়তারা করছে।
এমনকি এ ঘটনায় প্রশ্ন রেখেছেন পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় কিভাবে এই জায়গার মালিক হলো কিভাবে তারা অবৈধ ভাবে এই সাইনবোর্ড লাগায় এবং কি কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়া হয়েছে। এতেই থেমে থাকেনী ঘটে গেছে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সাথে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য রেজাউর করিমের সাথে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে পরবর্তীতে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার সমাধানও ঘটে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


