বৃষ্টির পানিতে রাস্তায় মাছ ধরার উৎসব
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৩, ০৫:৪৪ পিএম
এলাকা রাতভর টানা বর্যণে পানিতে নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর এলাকা ডুবে গেছে। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কোথাও হাটু পানি আবার কোথাও কোমর সমান পানি। অনেকের বসতঘরে পানি উঠেছে।
ঘরের আসবাব পত্র তলিয়ে আছে পানির নিচে। শহরে নিচু এলাকা গুলোতে বিশেষ করে ফলে মানুষ পড়েছে নিদারুণ কস্টে। বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ সাধারন মানুষ। দিনমজুর ও অটোচালকরা আরো বেশি ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে। তাদের নিম্ন আয়ের কারনে তারা সাধারনত নিম্নাঞ্চলের বস্তির ঘরগুলিতে ভাড়া থাকতে হয়।
জলাবদ্ধতার বৈরী আবহাওয়ার কারনে আজ কোন আয় নেই। ডুবে গেছে আবাসস্থল, ভেসে যাচ্ছে ঘরের মালামাল। ৭আগষ্ট মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত একটানা বর্ষনের কারনে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যায়। এছাড়া অলিগলিতে হাটু সমান পানি। মহল্লার অলিগলিতে মানুষ পানি বেয়ে চলাচল করছে।
তার মধ্যে অনতম হলো, দুর্ভোগের শিকার ফতুল্লার মাসদাইর, গলাচিপা, মুসলিমনগর, হরিহরপাড়া, ধর্মগঞ্জ, কাশিপুর, ডিএনডি এলাকার ভুইগড়, দেলপাড়া, আদর্শনগর, রসুলপুর, নয়ামাটি, নুরবাগ, নন্দলালপুর, পিলকুনি, কুতুবআইল, ইসদাইর, গাবতলী, লালপুর, সস্তাপুর, কলেজ রোড, দেওভোগ, পাইকপাড়া, বাবুরাইল, হাজীগঞ্জ, পাঠানতলী, গোদনাইল, জালকুড়ি, মিজমিজি ও হিরাঝিল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
ইসদাইর খানকা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে মাছের পুকুর তলিয়ে যায়, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে মাছ আর তাতে এলাকার মানুষ জন মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠে। কারো কাছে দেখা মিলছে তেলাপিয়া ও পাংগাস সহ নানা ধরনের মাছ তাদের জালে ধরা পরে। দেখা যায় শহরে বঙ্গবন্ধ সড়কটিও পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তার পাশে থাকা মার্কেট গুলোতে পানি প্রবেশ নষ্ট হয়েছে ভিবিন্ন ধরনের জিনিস পত্র।
এবং হক প্লাজার গাড়ি পারকিং এ পানি ঢুকে চারটি গাড়ি পানিতে ডুবে যায়। দেওভোগ এলাকার বাসিন্দা সাদেকুল আলম জানান, কোন বছরই তার বাসায় বর্ষা কালে পানি প্রবেশ করেনি। এবার একদিনের বৃষ্টিতে ঘরে পানি ঢুকেছে। আসবাব পত্র সব ডুবে গেছে। আমাদের কষ্টের কি আর শেষ আছে? তিনি বলেন, মাত্র বর্ষা কাল শুরু।
সামনে আমাদের কি দুর্গতি আছে আল্লাহ ভালো জানেন। ডিএনডির ফতুল্লা দেলপাড়া টাওয়ার পাড় এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমান বিদ্যুৎ জানান, রাতের বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে, অনেকের বাসায় পানি ঢুকেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে তারা। এন. হুসেইন রনী /জেসি


