কুতুবপুরে বাড়ছে জলাবদ্ধতার অভিশাপ, বিপর্যস্ত জনজীবন
সাদ্দাম হোসেন শুভ
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৩, ১১:১৮ এএম
এক রাতের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে কুতুবপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা। সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় অধিকাংশ সড়কই এখন পানির নিচে। ফলে যানবাহন চলাচল ও যাতায়াতের ভোগান্তিতে, জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
রবিবার (৬ আগষ্ট) মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত লাগাতার বৃষ্টিতে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নের অধিকাংশ বাড়ির নীচ তলা নিমজ্জিত। সড়কে যানবাহন চলাচলে পানির স্রোতে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শাটারের নিচ থেকে ঢুকেছে পানি। টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন কর্মজীবীরা। সকাল থেকেই সড়কে যানবাহন চলাচল খুবই সীমিত।
একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে গুনতে হচ্ছে অধিক ভাড়া। বিশেষ করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যের পথচারী ও পরীক্ষার্থীরা। যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। আর সবকিছুর পেছনে ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে দুষছে সাধারণ জনগণ।নন্দলালপুর এলাকার মুদি দোকানি আব্দুল মতিন জানান, রাত সাড়ে ৩ টায় বৃষ্টিতে ভিজে আমি আমার দোকানে এসে দেখি সব মালামাল পানিতে তলিয়ে গেছে।
গালের পানি উপচে পড়ে আমাদের দোকানপাটে প্রবেশ করে আমাদের এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আর জনপ্রতিনিধিরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। আমাদের খালটি যদি ঠিকমত খনন করা হইতো তাহলে আর আমাদের এই অবস্থা হইতো না। আমার দোকানে খালের পানি উপচে পড়ে প্রায় কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি আমাদের জনপ্রতিনিধিদের কাছে একটাই দাবি নয়ামাটি ও নন্দলালপুর এলাকার পানি চলাচলের একমাত্র খালটি যেন অতিদ্রুত সংস্কার করা হয়।
নয়ামাটি এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই পর্যন্ত আমাদের নন্দলালপুর খালটি সংস্কার করা হয়নি। তাই এখন জলাবদ্ধতায় আমাদের এই অবস্থা। আর কবে নাগাদ আমাদের এই জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবো সেইটাও জানেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, জলাবদ্ধতায় আমাদের বাড়ি ঘরে পানি ডুকে বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
এমন অবস্থা দেখেও কুতুবপুর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি কেউ আমাদের এলাকায় আসতে দেখা মেলেনি। সচেতন মহলের দাবি, অতিদ্রুত যেই সকল খাল সংস্কারের অভাবে ময়লা আবর্জনায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে সেই সকল খাল ও এলাকার ড্রেনগুলো যেন সংস্কার করা হয়। এন. হুসেইন রনী /জেসি


