Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

নয়া আতঙ্কে মুসলিম নগর গ্রামের সাধারণ মানুষ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৩, ০১:৪৮ পিএম

নয়া আতঙ্কে মুসলিম নগর গ্রামের সাধারণ মানুষ
Swapno

 

এবার ফতুল্লা থানার মুসলিম নগর গ্রামে আরো অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে সাধারন মানুষের জীবন। কেনোনা এতোদিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলু ওরফে ফজলা মেম্বারের সাথে থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ মান্নানের বিরোধ থাকলেও এখন তারা শশুর-জামাই।

 

 

তাই এতো দিন ফজলা আর মান্নানের পৃথক দুটি গ্রুপ ছিলো। তাই এক গ্রুপ সাধারন মানুষের উপর নির্যাতন চালালে অন্য গ্রুপ বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে পাশে দাড়াতো। এতে কিছুটা হলেও তাদের অত্যাচার নির্যাতন থেকে রেহাই পেতো গ্রামের নীরিহ জনসাধারন। তবে এই গ্রামে মান্নানের চেয়ে ফজলার দৌড়াত্ব অনেক বেশি ছিলো বলেই জানিয়েছে গ্রামবাসী।

 

 

গ্রামবাসীর মতে ভয়ংকর এক দুষ্টু লোকের নাম ফজলু ওরফে এই ফজলা। তাই গ্রামবাসীর আশংকা আপাতত ফজলার মেয়ে মান্নানের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার কারনে তারা দুইজনেই মানষিক ভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছেন। বিশেষ করে জামাই শশুর দুইজনেই আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় এই সময় তাদের চরীত্র এবং আচারআচর নিয়ে মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা চলছে।

 

 

তবে এই বিরোধ যে বেশি দিন স্থায়ী হবে না এটা জানেন গ্রামবাসী সকলে। তাই তাদের আশংকা এবার যদি জামাই শশুর দুইজনে মিলে গ্রামবাসীর উপর অত্যাচার শুরু করেন তাহলে নীরিহ গ্রামবাসীকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না। কারন তারা দুইজনেই স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের লোক।

 

 

তাই গ্রামবসীর দাবি চারিত্রিক স্খলনের কারনে এদের দুইজনকেই যেনো দল থেকে বহিস্কার করা হয়। মুসলিমনগরবাসী এ ব্যাপারে সরাসরি সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। প্রসঙ্গত গতকালও গ্রামবাসী জানিয়েছে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ মান্নানের নারী ক্যালেংকারীর ঘটনায় গোটা ফতুল্লা থানা জুরে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

দৈনিক যুগের চিন্তায় এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে মান্নানের এমন কান্ডের তীব্র সমালোচনা চলছে। আর মান্নান যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষিকা ছিলেন ফওজিয়া আক্তার দুলারী। মুসলিমনগর কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও শিক্ষিকা ছিলেন তারা। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মাঝে পরকিয়া প্রেম চলছিলো।

 

 

বিশ বছর পূর্বে নারায়ণগঞ্জ কোর্টের একজন আইনজীবীর সাথে ফওজিয়ার বিয়ে হলেও সে ছিলো নি:সন্তান। কিন্তু মান্নানের ঘরে স্ত্রী সন্তানরা রয়েছে। সম্প্রতি মান্নান হজ¦ করতে সৌদী আরব গিয়েছিলেন। হজ্ব থেকে ফিরেই ফওজিয়াকে নিয়ে পালিয়ে যান। তাই এটা নিয়ে গোটা মুসলিম নগর এবং আশপাশের এলাকায় তুমুল আলোচনা সমালোচনা চলছে।   এন. হুসেইন রনী   /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন