এখন কখন বিদ্যুৎ যাবে সেটা খুঁজে পাইনা: আসাদুজ্জামান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৩, ০৯:১৩ পিএম
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এনায়েতনগর ইউয়িনে ব্যাপক পরিসরে শোক দিবস পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান।
এ অনুষ্ঠানে তিনি এক বক্তব্যে বলেন আগে কখন বিদ্যুৎ আসবে সেই চিন্তায়সবাই মগ্ন থাকতো। কিন্তু এখন কখন বিদ্যুৎ যাবে সেটা খুঁজে পাই না। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, ওদের লজ্জা নেই। ওরা বড় বড় কথা বলে, কিন্তু জোট সরকারের আমলে কোন কাজটা হয়েছে বলেন। কোনো কাজ হয় নাই। আমাদের এনায়েতনগরে ১০০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি সদিচ্ছা না দেখাতেন তাহলে এটা কখনোই সম্ভব হতো না। কোথায় কত টাকা খরচ হয়েছে , কত টাকার কাজ হয়েছে, আপনারা চাইলে সেই হিসাব আমি দিতে পারবো। বর্তমানে ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৫০ কোটি টাকা শুধু ড্রেন নির্মাণের জন্য বাজেট দিয়েছেন।
এনায়েত নগরে অনেকগুলো জায়গা আছে যেমন চাঁদনী হাউজিং, নবীনগর, নয়াবাজার সহ বেশ কয়েকটি এলাকা। এলাকাগুলো নিচু হওয়ায় বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। এজন্য বলা হয়েছে যার যত ড্রেন প্রয়োজন করে নেন। অর্থাৎ এলাকায় ব্যাপক আকারে উন্নয়ন হচ্ছে। আমি শুধু আমার ইউনিয়নের কথাই বললাম। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে ব্যাপক কাজ হয়েছে।
চন্দন দাদা এসেই বলেছে কার কত বাজেট লাগবে। তাড়াতাড়ি বরাদ্দ দেন। অথচ আমি কোনদিন জানিনা জেলা পরিষদ থেকে কোন উন্নয়ন কাজ হয়। দাদা এসে সাথে সাথে জেলা পরিষদ সদস্যদের দ্বারা উন্নয়ন কাজ শুরু করেছেন। আমার এলাকায় জেলা পরিষদের সদস্য শওকত চেয়ারম্যানের মেয়ে আমাকে সে বলে কাকা আপনার কত বরাদ্দ লাগবে বলেন।
আরেকজন আছে জেলা পরিষদের সদস্য। দুইজন মিলে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এনে দিয়েছে। বিগত দিনে যারা ছিল তারা ফতুল্লার জন্য কোন কাজ করেনি। এজন্য আমি জানতামই না জেলা পরিষদ থেকে কোনো কাজ হয়। আপনি এসে প্রথা ভেঙে দিয়েছেন। আপনি এসে জেলা পরিষদ থেকে উন্নয়ন কাজ করেছেন। এন. হুসেইন রনী /জেসি


