সরকারি কোয়ার্টারে ডেঙ্গু আতঙ্ক
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:১৪ পিএম
# বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েও কোন সুরাহা হয়নি
নারায়ণগঞ্জ নগরীর মীর জুমলা সড়কে বাজারের পাশেই অবস্থিত সরকারি কর্মচারীদের কোয়ার্টার। সেখানে নানা সরকারি দপ্তর পুলিশ সুপার কার্যলয়, আদালতপাড়া, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কর্মচারীদের মিলে দুটি বহুতল ভবনে প্রায় ১৪টি পরিবারের বসবাস করে স্টাফ কোয়ার্টারে। ভবনগুলোর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই কালো নর্দমার পানি ও বাজারের ময়লা মিশে একাকার হয়ে পানি উঠে যায় কোয়ার্টারে।
কোয়ার্টারের ভিতরে নিচু জায়গাটি ২ মাস আগে বালু দিয়ে বরাট করার করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত সে অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোয়ার্টারের ভিতরে নোংরা আবর্জনা ও কালো পঁচা পানি জমে আছে, যার কারনে সেখানে মশার উপদ্রব ও প্রজননক্ষেত্র গড়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে বহুবার চিঠি দিয়েও কেনো প্রতিকার পায়নি বলে অভিযোগ করেন বসবাসরত কর্মচারীরা।
মিরজুমলা স্টাফ কোয়ার্টারে থাকা এক বাসিন্দা বলেন, ১০ বছর ধরে এখানে থাকছি এর কোনো ব্যবস্থাই চোখে পড়ে না। বাজারের ড্রেন গুলোও ভালো মতো পরিষ্কার করে না, যার কারনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হয়। গনপুর্ত বিভাগ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরেও চিঠি পাঠিয়েছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
সেখানে বসবাসরত আরেক সরকারি কর্মচারী বলেন, আমরা যে সরকারি কর্মচারীরা এই সরকারি প্রতিষ্ঠানে থাকি,এ নিয়ে তাদের কোনো উদ্যোগ দেখি না। মাঝে মাঝে মশার কামরে বাচ্চাদের জ্বর ঠান্ডাও হয়ে যায় ময়লা-দূর্গন্ধে আরো মশার আধিপত্য বাড়ছে। এই নিয়ে তারা কোনো ব্যবস্থা নেয় না, মশার উপদ্রব এতোটাই বেড়েছে থাকাটাই মুশকিল। এর মধ্যে সামান্য বৃষ্টিতে কোয়ার্টারের নিচ তলা ডুবে ময়লা আবর্জনায় ভরে যায়।
এ বিষয়ে গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, কোয়ার্টারে যারা থাকে তারা তো আমাদের অফিসেরই কর্মচারী। ওই স্থানে যে এতো সমস্যা এ ব্যপারে তারা আমাদেরকে কিছু জানায়নি চিঠি তো দেওয়া দূরের কথা। এছাড়া বালু ফালানোর কথা ছিলো কিনা সেটাও আমি বলতে পারবো না। কালকে এ বিষয়ে জেনে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন এবং শ্যামর চন্দ্র পাল এর সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা ফোন কলটি রিসিভ করেননি।
নাসিকের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসিত বরণ বিশ্বাস এর সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি বার বার ফোন কলটি কেটে দেন। এস.এ/জেসি


