Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

অপরিকল্পিত নগরায়নে ভোগান্তি বাড়ছে

Icon

ফরিদ আহমেদ রবি

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৪৯ এএম

অপরিকল্পিত নগরায়নে ভোগান্তি বাড়ছে
Swapno


১৮৭৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গঠিত হয় নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা। শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম এবং প‚র্ব পার নিয়ে গঠিত উক্ত পৌরসভার আয়তন ছিল ৪.৫ বর্গ মাইল। পূর্ব পারে ১ টি এবং পশ্চিম পারে ২ টি মোট ৩ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার আয়তন ১৯৫২ সালে ৭.৫ বর্গ মাইলে বৃদ্ধি করা হয়।

 

 

১৯৫৭ সালে ওয়ার্ড সংখ্যা ২০ টি করা হয় যা ১৯৭২ সালে ১২টিতে পুনর্বিন্যাস করা হয়। প্রায় দেড়শ’ বছর আগে মাত্র ৪.৫ বর্গমাইল আয়তনের পৌরসভাটি পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশনে রূপ নিয়েছে যার আয়তন ৭২.৪৩ বর্গ কিলোমিটার বা ৪৫ বর্গমাইল। ২০০৩ সালে গঠিত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভাও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অধীনে আনা হয়।

 

 

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা থেকে বেরিয়ে গিয়ে ১৯৯৩ সালে গঠিত কদম রসুল পৌরসভাও আপন গৃহ অর্থাৎ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত ওয়ার্ড সম‚হের সংখ্যা ২৭।নদীর পশ্চিম পাড়ে ১৮টি এবং প‚র্ব পাড়ে ৯টি ওয়ার্ড বিদ্যমান।

 

 

দেশের প্রাচীনতম পৌরসভা সমূহের অন্যতম নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া হয়েছিল নগরীর বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ সুবিধা এবং অন্যান্য পরিষেবাম‚লক কার্যক্রম উন্নত হবেই। ২০১১ সালের ৫ মে দেশের সপ্তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

 

 

দিনটি ছিল নারায়ণগঞ্জ বাসীর কাছে অত্যন্ত আনন্দের। একই বছর ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। নারায়ণগঞ্জ বাসী পায় নির্বাচিত মেয়র। আনন্দ উচ্ছ্বাস নিয়ে এলাকাবাসী দিন গোনে আরও অধিক নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জ শহর উপহার পাওয়ার আশায় ! দুর্ভাগ্য নারায়ণগঞ্জবাসীর!

 

 

দেড়শ বছর আগে পৌর সভার অন্তর্ভুক্ত, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত নগরবাসী আজও তেমন কোন উন্নত সুযোগ সুবিধার আওতায় আসেনি।বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিষেবা ম‚লক কার্যক্রমের অবনমন হয়েছে।শাকের উপর আটির বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিটি কর্পোরেশনের অস্বাভাবিক ভাবে বর্ধিত ট্যাক্স।

 

 

প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত অনেক অঞ্চলের নাগরিক বৃন্দই মনে করেন পৌরসভার অধীনে থাকাই ভাল ছিল। অথচ এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নারায়ণগঞ্জের গুরুত্ব বিবেচনা করে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত করেছেন,তাহলে সিটি কর্পোরেশন হিসেবে নারায়ণগঞ্জের এমন দুর্দশা কেন?

 

 

এ ব্যাপারে বিদগ্ধ মহলের ধারণা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে জন প্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ন আজকের এই দুর্দশার প্রধান কারণ। সিটি কর্পোরেশন হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে অত্যন্ত আধুনিক ভাবে সাজানোর সব উপাদান থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র সঠিক পরিকল্পনার অভাবে নারায়ণগঞ্জবাসী ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

 

 

নৌ,সড়ক, রেল যোগাযোগ সম্বলিত এমন একটি শহর শুধুমাত্র অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং আন্তরিকতার অভাবে পররিত্যাক্ত নগরীতে পরিণত হতে চলেছে। বাংলাদেশের সবকটি সিটি কর্পোরেশন সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে নগর গঠনে আত্মনিয়োগ করায় তাদের অবস্থান নারায়ণগঞ্জের চেয়ে অনেক উন্নত।

 

 

সিটি কর্পোরেশন সমূহের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ একমাত্র শহর যেখানে শহরের মাঝখানে শিল্প কারখানা, বানিজ্যিক কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক অঞ্চল চিকিৎসা কেন্দ্র সব জগাখিচুড়ী অবস্থায় রয়েছে। শহরের ব্যস্ততম প্রধান সড়ক সমূহের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন বহুতল বিশিষ্ট ইমারত নাগরিক জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

 

 

এসব ভবনে অবস্থিত আবাসন এবং বিভিন্ন বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রচুর জনসমাগম হয় যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ভবন মালিকের। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বি এন বি সি) অনযায়ী ইমারত নির্মাণ এবং কার্যক্রম পরিচালিত হলে সাধারণ নাগরিকের উপর এ সমস্ত ইমারত সংশ্লিষ্ট পেশা বা আবাসনের জন্য সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

 

 

নীতিমালা মানার বাধ্যবাধকতা থাকলে এভাবে ভবন নির্মাণ সম্ভব হতো না।ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সব শর্ত প‚রণ করেই ভবন নির্মিত হতো। এবং ভবনের প্রতিষ্ঠানসম‚হ নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য হতো। ভবন নির্মাণ করেও নগরীর বিভিন্ন রাস্তা প্রশস্তকরন, নতুন কিছু রাস্তা তৈরি করা খুবই সহজ ছিল।

 

 

অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে ওঠা এসব ইমারতের কারণে নতুন কিছু করা এখন ব্যায়বহুল এবং কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের যেসব অঞ্চল উন্নয়নের মাধ্যমে শহর বর্ধিতকরণ সহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা প্রদান সহজ হতে পারে কর্তৃপক্ষের সেদিকে নজর আছে বলে মনে হয় না।

 

 

নদীর পশ্চিম পারে মুল শহরকে কেন্দ্র করে প্রায় সব উন্নয়ন কর্ম পরিচালিত হওয়ায় শহর আকারে বাড়ছেনা বরং আরও ঘিঞ্জি হয়ে পড়ছে। দিন দিন পশ্চিমপারবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছুচ্ছে। অথচ নগর বর্ধিতকরণের অবারিত সুযোগ রয়েছে পূর্বপারে। পূর্বপারে প্রধান সড়কটি সেই লক্ষ্যে বেশ প্রশস্ত করা হলেও এখন খুব কাজে আসছে বলে মনে হয় না।

 

 

কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প‚র্বপারে শহর বর্ধিতকরণের কোন লক্ষ্যই প‚রণ হবে না। সিটি কর্পোরেশনভুক্ত নদীর পূর্ব এবং পশ্চিম পার সংযুক্ত করার জন্য কয়েকটি সেতু নির্মাণ পুরো নারায়ণগঞ্জের চেহারাই পাল্টে দিতো। বহু প্রতীক্ষার পর কয়েকটি না হলেও একটি সেতু নির্মাণের সব দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন হয়েও শেষ মুহূর্তে এসে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়নি।

 

 

শীতলক্ষ্যায় সদ্য নির্মিত তৃতীয় সেতুটি জাতীয় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় যে ভূমিকা পালন করবে তার কিঞ্চিত নগরবাসীর কাজে আসবে। বহু আগে নির্মিত কাঁচপুর সেতু সম্পর্কে একই কথা প্রযোজ্য।

 

 

কদম রসুল সেতু দ্বারা সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শহর বিস্তৃত হতে পারতো পূর্ব পাড়ের শেষ সীমা পর্যন্ত যার মাধ্যমে বর্তমান মূল শহর ফিরে পেতো অনেক আগের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আবাস যোগ্য শহরের রূপ। বন্দর পেতো আধুনিক বাসযোগ্য শহরের মর্যাদা, সিটি কর্পোরেশন হয়ে উঠতো প্রকৃত অর্থেই নারায়ণগঞ্জ বাসীর স্বপ্নের শহর।

 


পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অভিজ্ঞতা এবং সক্ষমতা অর্জন করার আগেই ওয়াসার অধিগ্রহণ কতটা সঠিক হয়েছে সে প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। সিটি কর্পোরেশনের প্রায় সব অঞ্চলেই অপর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নাগরিক দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। কোথাও কোথাও পানি সরবরাহ শূন্যের কোঠায়। তারপরও নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

 

 

তীব্র যানজটে নাকাল অনেকেই বলে থাকেন বর্তমান রেলস্টেশন এবং বাস টার্মিনাল শহর থেকে সরিয়ে নিলে এমন অসুবিধা আর থাকবে না। একথা শুনে মনে হয় মাথা ব্যাথার কারণে মাথা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া। বর্তমান বাস টার্মিনাল রেলস্টেশন থেকে যাতায়াতকারী সবাই প্রাত্যহিক প্রয়োজনে ঢাকায় প্রবেশ করে।

 

 

এখান থেকে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিলে তাদের জন্য মাত্র ১০ মাইল দূরত্বের ঢাকা হয়ে যাবে আর এক গ্রহ দ‚রত্বের এক শহর।সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়ক ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করা হলে বর্তমান অবকাঠামো আগে যেমন নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য আশীর্বাদ ছিল এখনো তাই থাকবে।

 

 

মনে রাখতে হবে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ পৃথক জেলা হিসেবে থাকলেও ঢাকা নারায়ণগঞ্জ পথে যাতায়াতকারী যানবাহন সম‚হ আদিকাল থেকেই টাউন (শহর) সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত। নদীর পূর্বপাড়বাসী, পশ্চিমপাড়ের বাস ট্রেন স্টেশন সংলগ্ন অধিবাসী এবং লঞ্চ যোগে আগত যাত্রীদের যদি বর্তমান বাস স্টেশনের পরিবর্তে চানমাড়ি অথবা আরো উত্তরের কোন অবস্থান থেকে যানবহনে চড়তে হয় তাহলে টাউন সার্ভিস বলে আর কিছু থাকে কি?

 

 

নদীর ঘাট থেকে চাষাড়া পর্যন্ত যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন করা গেলে এমন উদ্ভট চিন্তা কেউ করতো না। এ কাজটুকু করতে সংশ্লিষ্ট কোন পক্ষই কি সক্ষম নয়? প্রচলিত আইন প্রয়োগ করেই এ কাজটুকু খুব সহজে করা সম্ভব বলে নগরবাসীর বিশ্বাস। কদম রস‚ল সেতু বাস্তবায়িত হলে বন্দর অঞ্চলের বড় একটি অংশ মূল শহর এড়িয়ে অন্য পথে ঢাকা প্রবেশের সুযোগ পেতো।

 

 

মূল শহরের অনেকেই বন্দর অঞ্চলে বসবাসের সুযোগ পেতো যা শহরের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।সেভাবে চিন্তা না করে শুধুমাত্র কোনরকম জোড়াতালি দিয়ে একটি সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। মাননীয় সিটি মেয়র প্রায় সময়ই হতাশা প্রকাশ করে বলেন সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার কারণেই জন দুর্ভোগ কমানো এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না।

 

 

মেয়র মহোদয়ের এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে নীতি নির্ধারক মহল সচেষ্ট হবেন নগরবাসীর তেমনটিই প্রত্যাশা। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে যতটুকু ক্ষতি হওয়ার তা তো হয়েই গেছে, নতুন করে তা যেন আর বৃদ্ধি না পায় সেই লক্ষ্যে কাজ করা সময়ের দাবি।

 

 

নদীর পশ্চিম পাড়ে নতুন করে প্রশস্ত রাস্তা তৈরি করা কতটা সম্ভব তা বিশেষজ্ঞরা ভাল বলতে পারবেন তবে নদীর প‚র্ব পাড়ে প্রশস্ত রাস্তার সুবিধা ভোগ করতে হলে পূর্ব পাড়ের দিকে নজর দিতে হবে তাতে করে যোগাযোগ সুবিধা সহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

 

 

এজন্য প্রয়োজন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের অনেক অবকাঠামোর সংস্কার এবং বিনির্মাণ। সিটি কর্পোরেশনকে বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে প্রয়োজন মহা পরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়ন। প্রয়োজনে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হলেও নারায়ণগঞ্জকে বসবাসযোগ্য করতে হবে।

 

 

নারায়ণগঞ্জের এমন অনেক ব্যক্তি শুধুমাত্র নাগরিক সুবিধা এবং সড়ক যোগাযোগের অব্যবস্থাপনার কারণে ঢাকা শহরে বসবাস করেন অথচ দীর্ঘকাল যাবত ঢাকা যাতায়াতকারী নারায়ণগঞ্জবাসী কখনো ঢাকায় বসবাসের কথা চিন্তাও করেনি। তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর মাধ্যমে দুই পাড়ের সংযোগ কিছুটা হলেও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করতে পারে।

 

 

মদনপুর থেকে মদনগঞ্জ সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করনের কাজ চলছে। ঢাকা যাতায়াতের জন্য এই সড়ক ব্যবহার করে বন্দরবাসী সহজেই ঢাকা সহ অন্যান্য অঞ্চলে যাতায়াত করতে পারে সেটি করতে হলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে চিন্তা করতে হবে এই সড়ক ব্যবহার করে বিশাল সংখ্যক নারায়ণগঞ্জবাসী কিভাবে বর্তমান মূল শহরকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারে।

 

 

সে লক্ষ্যে কদম রসুল সেতুর কাজ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পন্ন করতে হবে একইসাথে অদ‚র ভবিষ্যতে জনসংখ্যার চাপ দ‚র করার লক্ষ্যে আবাসন সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে যাতে মূল শহরে জনসংখ্যার চাপ আর বৃদ্ধি না পায়। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ফিরে পাবে স্বীয় ঐতিহ্য, নারায়ণগঞ্জ হবে বসবাসযোগ্য আধুনিক শহর, তেমন দিনের প্রত্যাশায় প্রহর গুনছে নগরবাসী।  লেখক :  বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানী ও পোশাক শিল্পের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা।  এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন