দেশে মাছ উৎপাদনের ১২ শতাংশ শুধু ইলিশ থেকেই আসে
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:৫৮ পিএম
গতকাল সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ ২০২৩ ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনের সভাপতিত্ব করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক। সভায় উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য অধিদপ্তর, কৃষি অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিদপ্তর, প্রাণি সম্পদ এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নৌ-পুলিশ ও সাংবাদিকবৃন্দ। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. ফজুলুল কাবীর বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের সম্পদ। এটি আমাদের জাতীয় মাছ। একক প্রজাতি হিসেবে মাছের যে উৎপাদন হয় তার ১২ শতাংশ শুধু এই ইলিশ থেকেই আসে। আন্তর্জাতিক বাজারেও এই মাছের চাহিদা ও দাম অনেক বেশি। এটাকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।
সাগরের মাছ হলেও প্রজননের জন্য ইলিশ স্বাদু পানিতে আসে। ইলিশের প্রজননের সময় যদি আমরা এদের বাধা না দিতাম তাহলে বাংলাদেশের নদনদীতে বিশেষ করে সমুদ্রের কাছাকাছি মোহনায় ইলিশের প্রাচুর্য্য থাকতো। এতো জাল বাধা থাকে তাতে ঈদের প্রজনন বাধা গ্রস্ত হয়। প্রতিবছর প্রায় ৫.৬৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ ধরা হয়। যা বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার কোটি
টাকা। ইলিশ মাছ আমাদের দেশের এমন একটা সম্পদ যে এটার পিছনে আমাদের ব্যয় করতে হয় না। অন্যান্য চাষের মাছে আমাদের প্রায় ৫০% লাভ হতো কিন্তু এখন একটু বেশি হয়। প্রতি বছর ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকে। এ বছর নির্ধারিত ইলিশ মাছ ধরার নিষেধ তারিখ ১২ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ নিয়ম যদি কেউ অমান্য করে তাহলে ১ থেকে ২ বছরের সশ্রম
কারাদন্ডে দন্ডিত অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে না হয় উভয় শাস্তি প্রদান করা হবে। সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, মূলত ভেজালটা কৃষি থেকেই শুরু। কেননা সবজিকে খুব বেশি আর্কষিত করার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এই দিকটা যদি আমরা সচেতন থাকি তাহলে আলহামদুল্লিলাহ আমরা পারবো। প্রতিটি ডিপার্টমেন্টকে
এস্যাইনমেন্ট ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষি প্রতিনিধিদের এস্যাইন তারা কৃষককে সচেতন করবে যেন তারা বেশি অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার না করে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


